বিদেশে বাংলাদেশের যে কয়েকটি মিশনে রাষ্ট্রপতি মহম্মদ সাহাবুদ্দিনের ছবি রয়েছে, তা সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দিল সেই দেশের বিদেশমন্ত্রক। বেশ কয়েকটি মিশনে টেলিফোনে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে খবর। এই তথ্য প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম প্রথম আলো।
জানা যাচ্ছে বিদেশে বাংলাদেশের সব কূটনৈতিক মিশন, দূতাবাস, হাইকমিশন, কনস্যুলেট, কূটনীতিকদের অফিস ও বাসভবন থেকে রাষ্ট্রপতি মহম্মদ সাহাবুদ্দিনের ছবি সরানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী এই নির্দেশ কোনও আনুষ্ঠানিক চিঠি বা ই-মেলে পাঠানো হয়নি। টেলিফোনে অঞ্চলভিত্তিক কয়েকজন রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারকে বিষয়টি জানিয়ে পরে অন্য মিশনগুলোতে খবরটি পৌঁছে দিতে বলা হয়েছে।
মনে করা হচ্ছে যে এই পদক্ষেপের পরে বিদেশে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশনগুলোতে আর কোনও রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকার প্রধানের ছবি থাকছে না।
একসময় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগপত্র নিয়ে মন্তব্য করে বেশ চাপে পড়েন বাংলাদেশের বর্তমান রাষ্ট্রপতি। এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি মহম্মদ সাহাবুদ্দিন বলেন যে তিনি শুনেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেছেন, কিন্তু তাঁর কাছে এই সংক্রান্ত কোনও লিখিত প্রমাণ বা নথিপত্র নেই। এই নিয়ে সেই সময় উত্তাল হয়েছিল বাংলাদেশ।
এদিকে রাষ্ট্রপতির ছবি সরানোর নির্দেশ প্রসঙ্গে বাংলাদেশের পথে প্রান্তরে নানা চর্চা চলছে। সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী দক্ষিণ এশিয়া, এশিয়া প্যাসিফিক, আফ্রিকা ও ইউরোপের কয়েকটি মিশন সূত্র জানায় যে, এখনও অনেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে এ ধরনের নির্দেশ পাননি। তবে অন্তত দুটি মিশনের প্রধান জানিয়েছেন যে তারা সরকারের পক্ষ থেকে এমন বার্তা পেয়েছেন।
এদিকে জাগো নিউজ টোয়ান্টিফোর ডট কমের তথ্য অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির ছবি সরানোর নির্দেশের সঙ্গে নির্বাচনের কোনও সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছেন পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। রবিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা একথা জানান। একটা ছবির সঙ্গে নির্বাচনের কোনও সম্পর্ক থাকতে পারে না বলে জানান তিনি।
