যতটা ভাবা গিয়েছিল তার থেকে আরও এক কদম এগিয়ে গেল ভারত ও চিন সম্পর্ক। চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই-র দুদিনের ভারত সফরের নির্যাস এটাই। এশিয়ার দুই বৃহৎ অর্থনীতির দেশের উপর ট্রাম্পের অনৈতিক ট্যারিফ যুদ্ধের মধ্যেই পাল্টাতে শুরু করেছে ভারত-চিন কূটনৈতিক সম্পর্ক। মঙ্গলবার দিল্লিতে তাঁর বাসভবনে চিনের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এই সাক্ষাতে সীমান্তে শান্তি ও স্থিতাবস্থা বজায় রাখার গুরুত্বের উপর জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
একদিন আগেই ভারত সফরে এসেছেন চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই। সোমবার বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠকের পর এদিন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে বৈঠক করেন চিনের বিদেশমন্ত্রী। এই বৈঠকেই ভারত ও চিন সীমান্ত সমস্যার সমাধানে একসঙ্গে কাজ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জানা গেছে সীমান্ত নির্ধারণে দ্রুত সমাধানের পথ খুঁজতে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হবে।
মঙ্গলবার বৈঠকের পর ভারতের বিদেশমন্তক এক বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে যে দুই দেশ যত দ্রুত সম্ভব সরাসরি বিমান পরিষেবা পুনরায় চালু করবে। পাশাপাশি ভারতীয় তীর্থযাত্রীদের কৈলাস পর্বত ও মানস সরোবর সফর বাড়ানোর বিষয়েও সম্মত হয়েছে দু’দেশ। ২০২০ সালে গালওয়ান সংঘর্ষ এবং দীর্ঘদিনের সম্পর্কের চরম অবনতির পর এই উন্নতিকে গুরুত্ব দিয়েই দেখা হচ্ছে।
অগস্টের শেষে সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন সামিটে যোগ দিতে চিনে যাচ্ছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের তরফে পাঠানো আসন্ন এসসিও-র শীর্ষ সম্মেলনে যোগদানের আমন্ত্রণপত্রও মঙ্গলবার মোদির হাতে তুলে দিয়েছেন ওয়াং।
