এবার ২০ শতাংশ হারে বোনাস পেতে চলছেন চা বাগানের শ্রমিকরা। শুক্রবার বাগান মালিকদের সঙ্গে শ্রম দফতরের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়। সেই বৈঠকেই রাজ্যের তরফে বাগান মালিকদের ২০ শতাংশ হারে বোনাস দেওয়ার কথা বলা হয়। বাগান মালিকরা রাজ্যের প্রস্তাবিত হারেই বোনাস দিতে সম্মত হয়েছে বলে খবর। শেষ পর্যন্ত ওই বৈঠকের পর শ্রম দফতর অ্যাডভাইসারি জারি করে।
রাজ্যের অ্যাডভাইসারিতে খুশি গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের চিফ অনীত থাপা। জিটিএ প্রধান বলেন, শ্রমিকদের কঠিন অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যেতে হচ্ছে। সব জিনিসেরই বাজার চড়া। তাই ২০ শতাংশের কম বোনাস দিলে শ্রমিকরা কখনওই মেনে নিতেন না। সেক্ষেত্রে শ্রমিকরা বিক্ষোভের পথে যেতে পারতেন। কিন্তু শ্রম দফতর শ্রমিকদের দাবি মেনে নেওয়ায় পুজোর আগে চা বাগানে নতুন করে কোনও অশান্তি হবে না বলেই আশা করা যায়।
এবার সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে পুজো। তার আগে চলতি মাসে বোনাস নিয়ে মালিকপক্ষের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসে ট্রেড ইউনিয়নগুলি। সেই বৈঠকে ট্রেড ইউনিয়নগুলি স্পষ্ট জানিয়েছিল, ২০ শতাংশের কম বোনাস দেওয়া হলে সেটা তারা মেনে নেবে না। শেষ পর্যন্ত ট্রেড ইউনিয়নগুলির দাবি মেনে ২০ শতাংশ হারে বোনাস দেওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত হল। রাজ্যের অ্যাডভাইসারিতে ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষের বোনাস মিটিয়ে দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ওই অ্যাডভাইসারি পাহাড়ের মতো তরাই এবং ডুয়ার্সে প্রযোজ্য হবে। গত বছর রাজ্য ১৬ শতাংশ হারে বোনাস দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু ১৬ শতাংশ বোনাসও বহু চা বাগান কর্তৃপক্ষ দেয়নি বলে অভিযোগ। তা নিয়ে শ্রমিকদের মধ্যে বিশেষত পাহাড়ের চা বলয়ে প্রবল অসন্তোষ তৈরি হয়।
এখন দেখার মালিকপক্ষ রাজ্যের পরামর্শ মানে কিনা!
