মহাকাশ বিজ্ঞানের ইতিহাসে একের পর এক সাফল্য অর্জন করে চলেছে ভারত। সদ্য আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন থেকে ঘুরে এসেছেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুভাংশু শুক্লা – যা হয়ে উঠেছে জাতীয় গৌরবের বিষয়।শুধু তাই নয় চন্দ্রযান-৩, আদিত্য-এল১ এ ভারতের সাফল্য এখন গোটা পৃথিবীকে অবাক করে দিয়েছে।
ভারতের মহাকাশ অভিযানের ইতিহাস ও সাফল্য এবার পৌঁছে যাচ্ছে শ্রেণিকক্ষে। পাঠ্যক্রমে এই বিষয়গুলো অন্তর্ভূক্ত করতে শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ মডিউল তৈরি করছে এনসিইআরটি বা জাতীয় শিক্ষা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ পরিষদ। ‘ইন্ডিয়া এ রেসিং স্পেস পাওয়ার’ শিরোনামে মাধ্যমিক ও উচ্চ-মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য তৈরি করা হয়েছে এই পাঠক্রম।
কী থাকবে সেই বিশেষ মডিউলে?
বলা হচ্ছে সেই একেবারে শুরুর রকেট যাত্রা থেকে চন্দ্রযান-৩ ও আদিত্য-এল১-এর মতো ঐতিহাসিক মিশন পর্যন্ত তথ্য থাকবে এই পাঠক্রমে। থাকবে ২০২৫ সালে গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুভাংশু শুক্লার আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন যাত্রার কথাও। এই মিশনে তিনি ক্ষুদ্র মাধ্যাকর্ষণ পরিস্থিতিতে পেশি, উদ্ভিদ বৃদ্ধি ইতাদি নিয়ে গবেষণা চালান। ভারতের মহাকাশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অভূতপূর্ব কাজ এবং এক উদীয়মান মহাকাশ শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ তুলে ধরা হয়েছে এই পাঠক্রমে। ১৯৭৫ সালের আর্যভট্ট থেকে শুরু করে ২০২৫ সালের অত্যাধুনিক মিশনের ইতিহাস বর্ণনা করা হয়েছে তাতে।
থাকছে আগামী দিনের গগনযান মিশনের কথা। ভারতের আন্তর্জাতিক ভূমিকার প্রসঙ্গও এসেছে। ২০২৫ সালে ভারত-আমেরিকার যৌথ উপগ্রহ নিসার মিশনকে বলা হয়েছে পৃথিবী পর্যবেক্ষণের গেম চেঞ্জার।
এনসিইআরটি জানিয়েছে, ভারত এখনও পর্যন্ত ১৩১টি মহাকাশযান মিশন, ১০১টি উৎক্ষেপণ মিশন এবং ৩৫টি দেশের ৪৩৩টিরও বেশি বিদেশি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণে সহায়তা করেছে।
