কলকাতার রাস্তায় গতি বাড়াতে মেট্রো সম্প্রসারণে বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। এবার পার্পল লাইনে ১.৭ কিলোমিটার সম্প্রসারণের জন্য ৩৭৭.৮ কোটি টাকার টেন্ডার ডাকল মেট্রো কর্তৃপক্ষ। মেট্রো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই কাজ সম্ভবত নভেম্বরে শুরু হবে। এই কাজে ৪৪টি স্তম্ভ এবং ১ টি স্টেশন তৈরি করতে হবে আড়াই বছরের মধ্যে। স্টেশনটি এমনভাবে তৈরি করতে হবে যাতে পরবর্তী ক্ষেত্রে সেটি জোকা-ডায়মন্ড পার্ক প্রকল্পের সঙ্গেও সংযুক্ত করা যায়। চলতি বছরের ১২ মে পার্পল লাইনের আইআইএম জোকা স্টেশনের অনুমোদন পেয়েছে।
আইআইএম জোকা স্টেশন সম্পূর্ণ হলে পার্পল লাইনে কলকাতা দক্ষিণে জোকার পর আরও একটি স্টেশন তৈরি হবে। উল্লেখ্য, মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ প্রায় দেড় বছর আগেই এই সম্প্রসারণে সবুজ সঙ্কেত দিয়েছিল।
এই সম্প্রসারণের কাজ শেষ হলে পার্পল লাইনের দৈর্ঘ্য হবে ১৮ কিলোমিটার। যা ইডেন গার্ডেন থেকে আইআইএম জোকা পর্যন্ত বিস্তৃত। ইতিমধ্যেই নতুন স্টেশন তৈরির জায়গাও চিহ্নিত করেছে রেল বিকাশ নিগম লিমিটেড। ডায়মন্ড হারবার রোডে আইআইএম ক্যালকাটা ক্যাম্পাস থেকে মাত্র ১০০ মিটার দূরে এই স্টেশন তৈরি হবে। আইআইএম জোকা ক্যাম্পাস হাওড়া স্টেশন থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে। শিয়ালদহ স্টেশন থেকে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দূরত্ব ১৮ কিলোমিটার। কলকাতা বিমানবন্দর থেকে আইআইএম জোকার দূরত্ব প্রায় ৩৫ কিলোমিটার। জোকা থেকে ধর্মতলা মেট্রো লাইনের কাজ সম্পূর্ণ হলে আইআইএম জোকায় পৌঁছনো একেবারেই সহজ হয়ে যাবে। কারণ ধর্মতলায় ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর সঙ্গে সরাসরি পার্পল লাইনের যোগাযোগ হবে। পার্পল লাইন সম্প্রসারণের কাজ শেষ হলে আইআইএম জোকায় পৌঁছনো সকলের পক্ষেই অত্যন্ত সহজ হবে। বিমানবন্দর এলাকা থেকেও যে কেউ অনেক সহজে এবং কম সময়ে জোকায় পৌঁছতে পারবে। এই লাইন চালু হলে শুধু যে আইআইএম জোকা কর্তৃপক্ষের সুবিধা হবে তা নয়, সুবিধা হবে ছাত্র-ছাত্রী থেকে শুরু করে আমজনতার।
