বাইডেন প্রশাসনের ঘাড়ে বন্দুক রেখে ট্রাম্পের নিজেকে নিষ্কলঙ্ক বলে দাবি করার রেওয়াজে এবার যোগ হয়েছে নতুন ঘটনা। মার্কিন প্রেসিডেন্টের ঘোষণার একদিন পরেই মার্কিন নিরাপত্তা দফতর বা ডিপার্টমেন্ট অফ হোমল্যাণ্ড সিকিউরিটি জানিয়ে দিল আমেরিকায় ভারতীয় নাগরিকের নৃশংস হত্যা না রুখতে পারার পিছনে থেকে গেছে একটা প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত। অভিযোগ, অভিযুক্ত অবৈধ কিউবান অভিবাসী ইয়োরদানিস কোবো-মার্টিনেজকে যদি বাইডেন প্রশাসন আমেরিকায় থাকতে না দিত, তবে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড সম্পূর্ণভাবে রুখে দেওয়া যেত।
ঠিক একদিন আগেই ট্রাম্প তাঁর ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে লেখেন, “আমি ডালাস, টেক্সাসের সম্মানীয় চন্দ্র নাগামল্লাইয়ার ভয়াবহ হত্যার ঘটনা সম্পর্কে জেনেছি। তিনি তাঁর স্ত্রী ও সন্তানের সামনে এক অবৈধ কিউবান অভিবাসীর হাতে নৃশংসভাবে খুন হন ও তাঁর মাথা কেটে নেওয়া হয়। ওই অপরাধীকে কখনই আমাদের দেশে থাকার অনুমতি দেওয়া উচিত ছিল না।” মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও জানান, “নিশ্চিত থাকুন, আমার প্রশাসনে অবৈধ অপরাধী অভিবাসীদের প্রতি নরম নীতির দিন শেষ।”
এবার ট্রাম্পের বেঁধে দেওয়া সুরেই ডিপার্টমেন্ট অফ হোমল্যান্ড সিকিউরিটি জানিয়েছে, মার্টিনেজের উদাহরণই দেখাচ্ছে কেন ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন অপরাধী অবৈধ অভিবাসীদের তৃতীয় দেশে ফেরত পাঠাচ্ছে। কিউবা কোবো-মার্টিনেজকে ফেরত নিতে অস্বীকার করেছিল। কাজেই এই ভয়ঙ্কর হত্যাকাণ্ড হত না যদি বাইডেন প্রশাসন এই অপরাধীকে মুক্তি না দিত।
এরপরেই হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্ট বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং সেক্রেটারি ক্রিস্টি নোম এখন আর কোনও নৃশংস অপরাধীকে আমেরিকায় অনির্দিষ্টকালের জন্য থাকতে দিচ্ছেন না। অবৈধভাবে ঢুকলে আপনাকে এসওয়াতিনি, উগান্ডা, সাউথ সুদানে পাঠিয়ে দেওয়া হতে পারে।
