
বলিউডে তিন দশকের বেশি সময় ধরে নিজের দক্ষতা প্রমাণ করেছেন কাজল। ১৯৯২ সালে ‘দিলওয়ালে দুলহনিয়া লে জায়েঙ্গে’ দিয়ে বড় পর্দায় অভিষেকের পর তিনি ‘গুপ্ত’, ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’ এবং ‘কাভি খুশি কাভি গম’ মতো আইকনিক সিনেমায় অভিনয় করেছেন। আজও কাজল তার অভিনয় দক্ষতা নিয়ে সমানভাবে ব্যস্ত।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান যে, নিজের অভিনীত সব ছবিই তিনি নিয়মিত দেখেন এবং নিজের কাজের সবচেয়ে বড় সমালোচক নিজেই। তিনি ছবির প্রতিটি ছোট-বড় দিক খুঁটিয়ে দেখেন এবং নিজের ভুল-ত্রুটি খুঁজে বের করেন। অন্যদের মতামত বা সমালোচনার প্রয়োজন তিনি অনুভব করেন না, কারণ তিনি আগে থেকেই নিজেকে নিয়মিত যাচাই করেন।
বর্তমানে কাজলকে জনপ্রিয় সিরিজ ‘দ্য ট্রায়াল: সিজন ২’-এ দেখা গেছে, যেখানে তার স্তরপূর্ণ অভিনয় দর্শকদের মুগ্ধ করেছে। এছাড়া তিনি অ্যামাজন প্রাইমে ‘টু মাচ উইথ কাজল অ্যান্ড টুইঙ্কেল’ নামে সেলিব্রিটি চ্যাট শো হোস্ট করছেন। সামনের দিনগুলোতে তাকে পৃথ্বীরাজ সুকুমারন এবং ইব্রাহিম আলি খানের সঙ্গে ‘কায়োজে ইরানির’ ছবিতে অভিনয় করতে দেখা যাবে।
কাজল নিজের কাজের প্রতি দায়িত্বশীল মনোভাবের কারণে প্রতিনিয়ত নিজের মান বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছেন। দর্শক এবং সমালোচকরা তাকে যেভাবে দেখেন, তার চেয়ে তিনি নিজের কাজকে আরও গভীরভাবে বোঝেন। এই দৃষ্টিভঙ্গি তাকে প্রতিটি চরিত্রে প্রাণবন্ত করে তুলতে সাহায্য করছে এবং আজও বলিউডের শক্তিশালী অভিনেত্রী হিসেবে তার অবস্থান অটুট রাখছে।
সত্যিই বলা যায়, কাজল শুধু অভিনয় নয়, নিজের কাজকে গভীরভাবে বোঝার মাধ্যমে নিজের সবচেয়ে বড় সমালোচকও হয়েছেন। এই মানসিকতা এবং পরিশ্রমই তাকে বলিউডের দীর্ঘমেয়াদি সাফল্যের পথে অটল রেখেছে।
