
দুর্গাপুজো শেষ হয়ে আসছে। আগামী সপ্তাহে কালীপুজো এবং ভাইফোঁটা শেষ হতেই নভেম্বরের গোড়া থেকে ভোটের লড়াইয়ে নামার পরিকল্পনা শুরু করেছে তৃণমূল। বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর (SIR) নিয়ে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব ভোটারদের সচেতন করার জন্য সভা ডাকতে পারেন। নির্বাচন কমিশনের মতে, ২ নভেম্বর থেকে বাংলায় ভোটার তালিকায় সংশোধনের কাজ শুরু হতে পারে।
এ প্রসঙ্গে বিরোধী দলগুলোর আশঙ্কা, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গরিব ও প্রান্তিক মানুষদের ভোটাধিকার ক্ষুণ্ণ হতে পারে। কেন্দ্রে শাসক বিজেপি যেখানে অসুবিধায় রয়েছে, সেখানে এই প্রক্রিয়া তাদের স্বার্থে কাজ করছে বলে মত বিরোধীদের। তৃণমূলের বক্তব্য হতে পারে, গত চার বছরে কেন্দ্রের নীতি বাংলার জন্য ক্ষতিকর হয়েছে এবং এবার ভোটার তালিকায়ও ষড়যন্ত্র চলছে।
বিজেপি নেতাদের দাবি, এক কোটি ২৫ লক্ষ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ যাবে। বিরোধীরা এ সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। তারা মনে করছেন, ভোটার তালিকা নিয়ে কমিশনের কিছু পদক্ষেপের ফলে কেন্দ্রের স্বার্থ প্রাধান্য পাচ্ছে।
২০২৩ সালে আইন পরিবর্তনের মাধ্যমে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ে সরকার প্রধান ও মন্ত্রীর প্রভাব বেড়েছে, যা বিরোধীদের সন্দেহ বাড়িয়েছে। বিহারে এসআইআর নিয়ে ইতিমধ্যে বিতর্ক হয়েছে এবং মামলাও চলছে। পশ্চিমবঙ্গে এই প্রক্রিয়ার প্রভাব কেমন হবে, সেটাই এখন দেখার।
শহর ও জেলার বিভিন্ন ঘটনার মধ্যে কালীপুজোর জন্য শিয়ালদহ ডিভিশনে বাড়তি ট্রেন চালানো হচ্ছে। ২৪ ঘণ্টা টিকিট কাউন্টার খোলা থাকবে, তবে কিছু সীমাবদ্ধতাও থাকবে।
রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর কফ সিরাপ বিপর্যয়ের পর ওষুধ বিতরণে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। মালদহের কালিয়াচে তিনটি প্লাস্টিক গুদাম ভস্মীভূত হয়ে কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। আবহাওয়া আপডেট অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড় শীতের আগে বাংলার দিকে ধেয়ে আসতে পারে।
শিক্ষা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত নানা ঘটনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দুর্গাপুর কাণ্ডে একজন ধর্ষকের পরিচয় নিশ্চিত হয়েছে। এই সমস্ত পরিস্থিতির মধ্যে রাজ্য এবং কেন্দ্রে রাজনৈতিক তৎপরতা তীব্র হচ্ছে।
