
রাজধানীর আকাশ ঘন ধোঁয়ায় ঢেকে, শ্বাস নেওয়া দুষ্কর। বৃহস্পতিবার সকাল আটটায় শহরের একাধিক অঞ্চলে এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (AQI) ৪০০ ছাড়িয়ে ‘গুরুতর’ পর্যায়ে পৌঁছেছে। বাওয়ানায় রেকর্ড হয়েছে সর্বাধিক ৪৬০, আর দ্বারকার এনএসআইটি এলাকায় সবচেয়ে কম ২১৬। ইন্ডিয়া গেট ও কর্তব্য পথের চারপাশ ঘন ধোঁয়াশায় আচ্ছন্ন, AQI ৩৯৬।
দূষণের ভয়াবহতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সর্বোচ্চ আদালতও। বিচারপতি আইনজীবীদের ভার্চুয়াল শুনানির সুবিধা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন, কারণ এমন আবহাওয়া স্বাস্থ্যের স্থায়ী ক্ষতি করতে পারে বলে আশঙ্কা। আদালত ইতিমধ্যেই পাঞ্জাব ও হরিয়ানার সরকারকে ফসলের খড় পোড়ানো বন্ধে গৃহীত পদক্ষেপের বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছে।
কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের তথ্য অনুযায়ী, দিল্লির বাতাসে সূক্ষ্ম ধূলিকণা ও ক্ষতিকর গ্যাসের মাত্রা আশঙ্কাজনক। ‘গ্রেডেড রেসপন্স অ্যাকশন প্ল্যান’-এর তৃতীয় ধাপ কার্যকর থাকা সত্ত্বেও দূষণের স্তর কমেনি। বিশেষজ্ঞদের মতে, যানবাহনের নির্গমন এখনো দিল্লির বায়ুদূষণের প্রধান উৎস।
বুধবার বিকেলে গড় AQI ছিল ৪১৮। কমিশন ফর এয়ার কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্টের (CAQM) রিপোর্টে বলা হয়েছে, স্টাবল বার্নিং এখনো বড় উদ্বেগের বিষয়। যানবাহনের ধোঁয়া ও শিল্পকারখানার নির্গমন মিলিয়ে রাজধানী কার্যত পরিণত হয়েছে গ্যাস চেম্বারে।
