
নেপালে দুই মাস পর ফের জেন-জেড তরুণদের আন্দোলনে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। বারায় বুধবারের সংঘর্ষের পর বৃহস্পতিবার সকালে আবারও রাস্তায় নেমে আসে তরুণেরা। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠতে থাকলে প্রশাসন দুপুর ১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত কারফিউ ঘোষণা করে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতেই এই সিদ্ধান্ত।
বারায় উত্তেজনার সূত্রপাত UML শীর্ষ নেতৃত্বের সফরকে কেন্দ্র করে। আগামী বছরের মার্চে নির্ধারিত নির্বাচনের আগে এলাকাটি সফর করার পরিকল্পনা করেন দলীয় নেতা শঙ্কর पोखরেল এবং যুব নেতা মহেশ বসনেত। তাঁদের সফরের প্রতিবাদ করেন জেন-জেড তরুণেরা। পুলিশ জানিয়েছে, কাঠমান্ডু থেকে সিমারা যাওয়ার আগে বিমানবন্দরের বাইরে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষ বাঁধে। পরিস্থিতি বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠলে পুলিশ টিয়ার গ্যাস ছোড়ে এবং কিছুক্ষণ বিমানবন্দর কার্যক্রমও স্থগিত থাকে।
সকালে সিমারার রাস্তায় বড় সংখ্যায় বিক্ষোভকারী জড়ো হয় এবং পুলিশের সঙ্গে দফায় দফায় ধস্তাধস্তি শুরু হয়। আগের দিন সংঘর্ষে অন্তত ছয়জন জেন-জেড কর্মী আহত হওয়ায় উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
এ বছরের সেপ্টেম্বরেও নেপালে এই তরুণ আন্দোলন ব্যাপক আলোড়ন তোলে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্বল্পমেয়াদি নিষেধাজ্ঞা জারি হলে বিরোধিতা ছড়িয়ে পড়ে দেশজুড়ে। সেসময় অন্তত ৭৬ জন নিহত হন, এবং দেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও UML প্রধান KP ওলিকে পদত্যাগ করতে হয়। পরে শপথ নেন সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কি, যিনি নেপালের প্রথম নারী অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী।
বর্তমানে পুনরায় শুরু হওয়া এই বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে সীমান্তবর্তী ভারতীয় এলাকাগুলিতেও সতর্কতা জারি করা হয়েছে। পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে স্থানীয় প্রশাসন ও নিরাপত্তাবাহিনী। Overall, নেপালের রাজনৈতিক অস্থিরতা ফের বৃদ্ধি ইঙ্গিত দিচ্ছে ভবিষ্যতের আরও অনিশ্চয়তার দিকে।
