
কলকাতা সহ উত্তর ও দক্ষিণ শহরের বিভিন্ন এলাকায় আজ সকালেই তীব্র ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৫.৭। ভূমিকম্পের ধাক্কা সবচেয়ে বেশি বহুতল ভবনগুলোতে অনুভূত হয়েছে, যা শহরের মানুষদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
জানা গেছে, ভূমিকম্পের উৎসস্থল বাংলাদেশের কিছু এলাকা। বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী জেলা কাঁচবিহার, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদা ও নদিয়ায়ও কম্পনের ঝটকা অনুভূত হয়েছে। শহরের মানুষ হঠাৎ কম্পনের কারণে ঘর থেকে বেরিয়ে এসেছে এবং নিরাপদ স্থানে যাওয়ার চেষ্টা করেছে।
ভূমিকম্পের পর জরুরি পরিষেবাগুলো সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। অগ্নি নির্বাপক, পুলিশ ও উদ্ধারকর্মীরা দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছেন। যদিও এখন পর্যন্ত বড় ধরনের ধ্বংস বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি, তবে ভূমিকম্পের প্রভাব নিয়ে মানুষ এখনও সতর্ক।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কলকাতা ও এর আশপাশের অঞ্চলে ভূমিকম্প কম হলেও তা বহুতল ও পুরনো ভবনে অধিক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই মানুষকে আতঙ্কিত না হয়ে শান্ত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
শহরের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও অফিস অস্থায়ীভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে, যাতে মানুষ নিরাপদে থাকতে পারে। যানবাহনের চলাচল কিছুটা সীমিত হয়েছে, বিশেষত বহুতল এলাকার কাছাকাছি রাস্তা।
ভূমিকম্পের প্রভাবে কিছু নলকূপ এবং বিদ্যুৎ সংযোগে সাময়িক বিঘ্ন দেখা দিয়েছে। নগর প্রশাসন দ্রুত এসব সমস্যা সমাধানের কাজ শুরু করেছে। এছাড়াও, ভবিষ্যতে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মানচিত্র ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
এদিকে, কলকাতার মানুষ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে নিরাপদ থাকার খবর শেয়ার করছে। আশেপাশের জেলা থেকেও অনেকেই উদ্বিগ্ন, কিন্তু এখন পর্যন্ত বড় ধরনের আঘাতের খবর নেই।
শহর প্রশাসন ও বিশেষজ্ঞরা সবাইকে সতর্ক থাকতে এবং ভূমিকম্পের পরে কোনো অপ্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নিতে অনুরোধ করেছেন।
