
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ঘরের মাঠে বার্সেলোনাকে ৩–০ গোলে হারিয়ে দুর্দান্ত জয় তুলে নিল চেলসি। আলোচনার কেন্দ্রে ছিলেন দুই ১৮ বছর বয়সি তারকা বার্সেলোনার ইয়ামাল এবং চেলসির ব্রাজিলীয় উইঙ্গার এস্তেভাও। সবার নজর ছিল দু’জনের লড়াইয়ে, কিন্তু মাঠ ভরিয়ে দিলেন একাই এস্তেভাও, সম্পূর্ণ বোতলবন্দি হয়ে থাকলেন ইয়ামাল।
ম্যাচের শুরু থেকেই চেলসি ছন্দে ছিল। আক্রমণে টানা চাপ ধরে রেখে প্রথম চার মিনিটেই এনজো ফের্নান্দেস বল জালে পাঠালেও তা বাতিল হয়। কিছু ক্ষণ পরে ফের আরেকটি গোল অফসাইডে খারিজ হয়। তবু চেলসির চাপ ধরে রাখা বার্সেলোনার রক্ষণ ভাঙে ২৮ মিনিটে। কর্নার থেকে নিজেদের গোলেই বল জড়িয়ে ফেলেন কুন্ডে, ফলে এগিয়ে যায় চেলসি। এর কিছু পরে বার্সেলোনার অধিনায়ক আরাউখো দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে পড়ে কাতালানদের জন্য।
দ্বিতীয়ার্ধে আগুনে খেলতে থাকে চেলসি। ডান দিক থেকে বল পেয়ে বার্সার দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে দুর্দান্ত শটে গোল করেন এস্তেভাও। চলতি মরসুমে ক্লাব ও দেশের হয়ে এটি তার দশম গোল। ম্যাচে পরে লিয়াম ডেলাপও গোল করলে ব্যবধান আরও বাড়ে। অন্যদিকে ইয়ামালকে পুরো ম্যাচে নিয়ন্ত্রণে রাখেন চেলসির কুকুরেয়া।
এদিন আরেক বড় চমক দেখা যায় ম্যানচেস্টারে। ঘরের মাঠে লেভারকুসেনের কাছে ০–২ হেরে বসে ম্যাঞ্চেস্টার সিটি। প্রথম একাদশে একাধিক পরিবর্তন আনা হয় এবং তা ম্যাচে বড় মূল্য চোকায়। লেভারকুসেনের হয়ে গ্রিমাল্ডো ও শিক গোল করেন। টানা ২৪টি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ হোম ম্যাচে অপরাজিত থাকার রেকর্ডও ভাঙল সিটির।
অন্যান্য ম্যাচে বেনফিকা ২–০ গোলে আয়াখ্সকে হারায়, জুভেন্টাস ৩–২ ব্যবধানে জেতে বোডো গ্লিমটের বিরুদ্ধে। ডর্টমুন্ড ৪–০-তে উড়িয়ে দেয় ভিয়ারিয়ালকে এবং মার্সেই ২–১ গোলে জেতে নিউক্যাসলের বিপক্ষে।
