
উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া গ্রামে চার শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষতিপূরণ ও চাকরির প্রতিশ্রুতি মিললেও এক বছরের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও বাস্তবে কোনও সাহায্য না পাওয়ার অভিযোগ তুললেন পরিবারগুলি। ২০২৪ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি বিএসএফের খোঁড়া গর্তে পড়ে মৃত্যু হয় চার শিশুর। ঘটনার পরে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস নিজে চোপড়ায় গিয়ে শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলির সঙ্গে দেখা করেন এবং প্রয়োজনীয় সাহায্য দেওয়ার কথা জানান। পরিবারের দাবি, আশ্বাস পাওয়া সত্ত্বেও এতদিন কোনও সহায়তার হদিস মেলেনি।
এই অভিযোগ নিয়েই ফের রাজভবনের দরজায় পৌঁছান মৃত শিশুদের পরিবার। জানা গিয়েছে, প্রায় ২০ ঘণ্টা অপেক্ষা করেও তারা রাজ্যপালের সাক্ষাৎ পাননি। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পরও কোনও সাড়া না মেলায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পরিবারগুলি। তাদের বক্তব্য, প্রশাসনিক নীরবতার কারণে জীবিকা অনিশ্চয়তায় দাঁড়িয়ে এবং বারবার দরজায় ঘুরেও কোনও পথ খুলছে না।
পরিবারগুলির দাবি, দ্রুত ক্ষতিপূরণের টাকার পাশাপাশি প্রতিশ্রুত চাকরি দেওয়া হোক। সন্তানহারা পরিবারের জীবনে আর্থিক সংকট বাড়ছে বলে অভিযোগ। রাজভবনে দেখা না হলে এবার নবান্নে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে পুরো বিষয় জানাবেন বলেও জানিয়েছেন তারা।
ঘটনা ঘিরে এলাকায় ক্ষোভ ছড়িয়েছে। স্থানীয়দের মতে, শিশু মৃত্যুর মতো সংবেদনশীল ঘটনায় প্রশাসনিক উদ্যোগে এমন দীর্ঘসূত্রিতা অগ্রহণযোগ্য। এখন নজর প্রশাসনের দিকে চোপড়ার পরিবারগুলির দীর্ঘ প্রতীক্ষার শেষ কবে হবে তা নিয়েই জোর আলোচনা।
