
দিল্লির বায়ু দূষণের মান শুক্রবারও ‘খুবই খারাপ’ পর্যায়ে রয়ে গেল। একই সঙ্গে রাজধানীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে দাঁড়ায় ৫.৬° সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের চেয়ে ৪ ডিগ্রি কম এবং টানা দ্বিতীয় দিনের মতো মরশুমের সর্বনিম্ন।
আবহাওয়া বিভাগের পূর্বাভাস অনুযায়ী, হিমালয়ের তুষারঢাকা পাহাড়ি অঞ্চল থেকে আসা উত্তর-পশ্চিম দিকের ঠান্ডা হাওয়ার কারণে আগামী ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত উত্তর-পশ্চিম ভারতের অনেক জায়গায় বিচ্ছিন্নভাবে শৈত্যপ্রবাহ চলবে। এই ঠান্ডা হাওয়া সমতল অঞ্চল পর্যন্ত নেমে এসে ঠান্ডার মাত্রা বাড়াচ্ছে।
এর আগের দুই দিনও দিল্লিতে তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কম ছিল—বৃহস্পতিবার ৫.৬° সেলসিয়াস, আর তার আগের দিন ৬.৪° সেলসিয়াস। এ মাসের শুরুতেই ১ ডিসেম্বর ন্যূনতম তাপমাত্রা ছিল ৫.৭° সেলসিয়াস, যা অন্তত ২০১১ সালের পর ডিসেম্বর মাসের প্রথম দিন হিসেবে সবচেয়ে কম তাপমাত্রা। গত বছরের এই সময় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮° সেলসিয়াস, ২০২৩ সালে ছিল ৯.৫° সেলসিয়াস, ২০২২ সালে ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত সর্বনিম্ন ছিল ৭.৬° সেলসিয়াস।
শুক্রবার সকাল ৮টায় দিল্লির বায়ু দূষণের মান বা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) রেকর্ড করা হয় ৩২৩, যা ‘খুবই খারাপ’ শ্রেণিতে। বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় একিউআই ছিল ৩০৪, সেদিনও দূষণ ছিল একই স্তরে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দিল্লির বায়ুমান ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত ‘খুবই খারাপ’ পর্যায়েই থাকতে পারে।
ঠান্ডা ও দূষণের এই দ্বৈত চাপে রাজধানীর বাসিন্দাদের শ্বাসকষ্ট, চোখ জ্বালা ও শ্বাসযন্ত্রের রোগের ঝুঁকি বাড়ছে বলে সতর্ক করেছেন চিকিৎসকরা।
