
ইন্ডিগো শনিবার (৬ ডিসেম্বর, ২০২৫) চারটি বড় বিমানবন্দর থেকে ৪০০-রও বেশি ফ্লাইট বাতিল করেছে। আদালত-নির্ধারিত নতুন ফ্লাইট ডিউটি ও বিশ্রামের নিয়মের দ্বিতীয় দফায় আংশিক ছাড় পাওয়ার একদিন পরই এই ব্যাপক বাতিলের ঘটনা ঘটে, বলে সূত্রের খবর। সূত্রের মতে,
•বেঙ্গালুরু বিমানবন্দরে ১২৪টি ফ্লাইট (৬৩টি ডিপার্চার, ৬১টি অ্যারাইভাল) বাতিল হয়েছে।
•মুম্বাই বিমানবন্দরে ১০৯টি ফ্লাইট (৫১টি ডিপার্চার, ৫৮টি অ্যারাইভাল) বাতিল।
•দিল্লি বিমানবন্দরে ১০৬টি ফ্লাইট (৫৪টি ডিপার্চার, ৫২টি অ্যারাইভাল) বাতিল।
•হায়দরাবাদে ৬৬টি ফ্লাইট বাতিল করেছে ইন্ডিগো।
এর আগের দিন, শুক্রবার, ইন্ডিগো ১,০০০-রও বেশি ফ্লাইট বাতিল করেছিল, যার ফলে সারা দেশে বিমান চলাচল কার্যত বিপর্যস্ত হয় এবং অন্যান্য সংস্থার বিমানভাড়া আকাশছোঁয়া হয়ে ওঠে। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্র সরকার ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নতুন নিয়ম প্রয়োগ থেকে ইন্ডিগোকে ছাড় দেয়।
তিন দিন নীরব থাকার পর, ইন্ডিগো সিইও পিটার এলবার্স একটি ভিডিও বার্তায় যাত্রীদের কাছে ক্ষমা চেয়ে বলেন, সংস্থার পক্ষ থেকে সৃষ্ট বিঘ্নের কারণে সাধারণ যাত্রীরা যে চরম অসুবিধার মুখে পড়েছেন, তার জন্য তিনি দুঃখিত।
এদিকে, চলতে থাকা সংকটের সুযোগে কিছু এয়ারলাইন্সের অস্বাভাবিক হারে ভাড়া বাড়ানোর অভিযোগের বিষয়টি অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রক গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। যাত্রীদের অতিরিক্ত ভাড়ার বোঝা থেকে রক্ষা করতে কেন্দ্র তার বিধিবদ্ধ ক্ষমতা ব্যবহার করে ভাড়ার উপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে।
মন্ত্রকের নির্দেশ অনুযায়ী:
•সব এয়ারলাইন্সকে নির্ধারিত ভাড়া-সীমা কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।
•পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই ক্যাপ বহাল থাকবে।
•এর লক্ষ্য হলো বাজারে ভাড়ার শৃঙ্খলা বজায় রাখা, যাত্রীদের শোষণ বন্ধ করা এবং জরুরি কাজে যাত্রাকারী — যেমন প্রবীণ নাগরিক, ছাত্রছাত্রী ও রোগীদের — আর্থিক চাপ থেকে সুরক্ষা দেওয়া।
মন্ত্রক জানিয়েছে, রিয়েল-টাইম ডেটা ও এয়ারলাইন্স এবং অনলাইন ট্রাভেল পোর্টালের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে বিমানভাড়ার উপর কড়া নজরদারি চালানো হবে। নির্ধারিত নিয়ম ভঙ্গ হলেই জনস্বার্থে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

