
সকাল সাতটার মধ্যে রিষড়ার লক্ষ্মী পল্লী থার্ড লেনে ‘শ্যাম পানা কুঞ্জ’ আবাসনে অভিযান চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। অবৈধ আর্থিক লেনদেন ও হুন্ডি কারবারের অভিযোগে তল্লাশি এবং জিজ্ঞাসাবাদ পরিচালিত হয়। বাড়ির মালিক কৈলাশ কুমার ভার্মার দুই ছেলে রয়েছে।
তল্লাশিতে অংশ নেন পাঁচজন ED আধিকারিক এবং ছয়জন সিআইএসএফ জওয়ান। সূত্রের খবর, হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে অর্থ পাচারের ব্যাপক অভিযোগ রয়েছে। তদন্তকারীরা অর্থের উৎস, পরিমাণ এবং গন্তব্য খতিয়ে দেখছেন। অভিযানের খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়।
স্থানীয়রা জানায়, কৈলাশ কুমারের পরিবার সাধারণত স্বল্প সামাজিক এবং আত্মকেন্দ্রিক। তবে দীর্ঘদিন ধরে তারা রিষড়ায় বসবাস করছে। ED-এর অভিযান এলাকায় কৌতূহল ও চাঞ্চল্য তৈরি করেছে।
দেশে হুন্ডির মাধ্যমে অবৈধ টাকা লেনদেন বেড়ে চলেছে। এটি মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের আওতায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তবে ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থা এড়িয়ে দ্রুত এবং ঝুঁকিহীনভাবে টাকা পাঠানোর সুবিধা থাকায় অনেকেই হুন্ডির পথ বেছে নিচ্ছেন।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে রিষড়ার মানুষ সতর্ক এবং উত্তেজিত। ED-এর তদন্ত এখনও চলছে। চলমান এই অভিযান দেশের অর্থনৈতিক স্বচ্ছতা ও আইনি ব্যবস্থা কার্যকর রাখার দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
এই ঘটনা পশ্চিমবঙ্গের অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ এবং হুন্ডি চক্রের বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর অবস্থানের প্রতিফলন। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় এই ধরনের অভিযান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
