
দিলীপ ঘোষ ও তাঁর স্ত্রী রিঙ্কু মজুমদার ঘোষ দীর্ঘদিন ধরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় কুরুচিকর মন্তব্য ও মানহানিকর পোস্টের শিকার হচ্ছেন। বিয়ের পিঁড়িতে বসার সময় থেকেই শুরু হয়েছে এই কটাক্ষ, যা মধুচন্দ্রিমার সময় আরও তীব্র রূপ নেয়। সম্প্রতি রিঙ্কু তাদের হানিমুনের কিছু ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করলে দুই নেটিজেন, অনন্যা চট্টোপাধ্যায় ও ইন্দ্রনীল চক্রবর্তী, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাদের নিয়ে কুৎসামূলক মন্তব্য করেন।
রিঙ্কুর অভিযোগ, তাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে প্রচারিত এসব মন্তব্য ও পোস্ট সম্পূর্ণ অসত্য এবং মানহানিকর। “আমাদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হচ্ছে এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাদের হেনস্থা করা হচ্ছে,” বলেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরেই এই পরিস্থিতি চললেও রিঙ্কু নিয়মিত সোশ্যাল মিডিয়ায় থাকার কারণে তাঁকে বেশি অস্বস্তি পোহাতে হচ্ছে।
দিলীপ ঘোষও বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন। তিনি জানান, সমাজ মাধ্যমে খুব কম সময়ই থাকেন, তাই নিজের চোখে তেমন কিছু পড়ে না। কিন্তু রিঙ্কু নিয়মিত সক্রিয় থাকায় অশোভন মন্তব্যগুলি তারও নজরে এসেছে। তিনি স্ত্রীকে বিষয়টি পুলিশের কাছে জানানোর পরামর্শ দেন।
দিলীপ ও রিঙ্কু শুধু হানিমুন নয়, ১৮ এপ্রিলের বিয়ের সময় এবং মে মাসে তাঁদের পুত্র সৃঞ্জয়ের মৃত্যুর পরও কুৎসামূলক মন্তব্যের শিকার হয়েছেন। শেষ পর্যন্ত অতিষ্ঠ হয়ে তারা বিধাননগরের সাইবার ক্রাইম সেলে অভিযোগ দায়ের করেছেন।
এই ঘটনা ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও সোশ্যাল মিডিয়ার সীমারেখা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। সামাজিক জগতে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কুৎসা ও হেনস্থার বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
