
পশ্চিমবঙ্গে ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সি’ মামলায় ব্লক স্তরের নির্বাচন আধিকারিকদের (AERO) উপর চাপ বাড়ছে। রাজ্যের সহকারী প্রোগ্রাম অফিসাররা এ সময় AERO হিসেবে কাজ করছেন। তারা সিইও-কে চিঠি পাঠিয়েছেন, যাতে স্পষ্ট লিখিত নির্দেশিকা ও বাস্তবসম্মত সময়সীমা নির্ধারণের দাবি জানানো হয়েছে।
সূত্রের দাবি, পূর্ববর্তী SIR-এ যাদের সঙ্গে ভোটারের লিঙ্কেজ ছিল, তাঁদের অনেককেই নতুন করে ‘নো ম্যাপিং’ কেস হিসেবে ধরার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি AERO-র উপর গড়ে ৩,০০০–৪,০০০টি মামলার বোঝা পড়েছে। জানুয়ারি মাস জুড়ে অন্যান্য শুনানি চলায় ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এই মামলাগুলোর ন্যায্য শুনানি কার্যত অসম্ভব বলে আধিকারিকদের মত।
এছাড়া, গ্রহণযোগ্য নথি নিয়েও বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে। সরকারি নির্দেশে একাধিক নথি অনুমোদিত থাকলেও মাঠপর্যায়ে মৌখিক ও হোয়াটসঅ্যাপ নির্দেশে তা সীমিত করা হচ্ছে। আধিকারিকরা আশঙ্কা করছেন, এতে গণহারে প্রকৃত ভোটারদের নাম বাদ পড়তে পারে।
‘লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সি’ বা তথ্যগত গড়মিলের কারণে এনুমারেশন ফর্মে দেওয়া তথ্যের ভুল দেখিয়ে ভোটারদের হিয়ারিংয়ের নোটিস পাঠানো হচ্ছে। প্রথম থেকেই অভিষেক অভিযোগ করেছেন, প্রায় ১ কোটি ৩৩ লক্ষ ভোটারের নাম উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সন্দেহজনক তালিকায় রাখা হয়েছে। তিনি জানিয়েছিলেন, তালিকা প্রকাশের পেছনে ‘ব্যাকএন্ড’ কাজ চলছে।
এখন AERO-রা স্পষ্ট নির্দেশ ও বাস্তবসম্মত সময়সীমা পেলে ভোটারদের নামে অনাকাঙ্ক্ষিত সমস্যার সম্ভাবনা কমবে। এর মধ্যে প্রশাসনিক ও আইনি জট আরও গভীর হওয়ার আশঙ্কা করছে আধিকারিকরা।
