
নির্বাচনী কৌশল সংস্থা আইপ্যাক কর্ণধার প্রতীক জৈন ও সংস্থার দফতরে তল্লাশি নিয়ে পাল্টা বিবৃতিতে ED জানিয়েছে, সংবিধানিক পদে থাকা একজন ব্যক্তি অবৈধভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ফাইল ছিনিয়ে নিয়েছেন। ED-এর দাবি, অভিযানটি সম্পূর্ণ প্রমাণভিত্তিক, কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য বা ভোটের সঙ্গে সম্পর্ক নেই।
ED জানিয়েছে, কলকাতা ও দিল্লির ১০টি জায়গায় কয়লা পাচার মামলায় তল্লাশি চলছে। এ সময় নগদ অর্থ, হাওয়ালা লেনদেন ও অন্যান্য অভিযোগের প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে। ED স্পষ্ট করেছে, অভিযান কোনো রাজনৈতিক দলের কার্যালয়কে টার্গেট করে চালানো হয়নি।
পাল্টা বিবৃতিতে ED আরও জানায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও দলের কোনো অভিযোগ ভিত্তিহীন। তারা আইনি পদক্ষেপও নিতে পারে, কারণ তল্লাশির সময় ফাইল ও নথিপত্র ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। ED-এর মতে, সংরক্ষিত প্রমাণই তাদের অভিযান চালানোর মূল কারণ।
কলকাতার ছয় এবং দিল্লির চারটি স্থানে ED-এর তদন্তকারীরা অভিযান চালাচ্ছেন। কয়লাকাণ্ডের পুরনো মামলায় প্রায় তিন বছর পর আবার সক্রিয় হয়ে ওঠা এই অভিযান বিভিন্ন প্রমাণ সংগ্রহ ও তদন্তের জন্য করা হচ্ছে। ED-এর দাবি, এটি ভোট বা রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার সঙ্গে যুক্ত নয়।
এই অবস্থায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ তুললেও ED তার উল্টো দাবিতে বলেছে, সংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তি ফাইল ছিনিয়ে নিয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। অভিযান চলাকালীন সময়ে সংগৃহীত নথি ও তথ্য আইন অনুযায়ী ব্যবহৃত হবে।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ED আইনি পদক্ষেপের পথে হাঁটছে। জানা গিয়েছে, আজই ফাইল ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় কমপ্লেইন দায়ের করা হলে, শুক্রবার সেই মামলার শুনানি হতে পারে। ED সূত্রের দাবি, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয় এবং তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হলে কড়া পদক্ষেপ করা হবে।
ED-এর এই অবস্থান রাজ্য রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে এবং আগামী দিনে আইনি জটিলতার সম্ভাবনা তৈরি করছে।
