
আইপ্যাকের অফিসে তল্লাশির ঘটনায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি হাইকোর্টে সিবিআই তদন্তের আবেদন করেছে। এই মামলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামও যুক্ত করার দাবি করেছে ইডি। ইডি জানিয়েছে, তল্লাশি চলাকালীন মুখ্যমন্ত্রী নিজে উপস্থিত ছিলেন এবং যেভাবে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফাইল বহন করা হয়েছে তা সাধারণ পুলিশের মাধ্যমে সম্ভব নয়। তাই এক কেন্দ্রীয় সংস্থা আরেক কেন্দ্রীয় সংস্থার মাধ্যমে তদন্তের আর্জি জানানো হয়েছে।
ইডি আরও উল্লেখ করেছে, তল্লাশির সময় বড় বড় পুলিশ কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। ফাইলগুলো পুলিশ নয়, অন্য কোনো মাধ্যমে অফিস থেকে বের হয়ে গিয়েছে। ইডি এই ঘটনায় এফআইআর করার কথাও হাইকোর্টে উল্লেখ করেছে। এর পাশাপাশি রাজীব কুমারের নামও অভিযোগপত্রে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। কেন্দ্রীয় সংস্থা আশা করছে, সিবিআই তদন্তে সমস্ত দিক থেকে বিষয়গুলো পর্যালোচনা হবে।
আইপ্যাক কাণ্ডে ফাইলের গোপন বা গুরুত্বপূর্ণ নথি তোলার সময় ফাইল খুলে গিয়েছে, যা সাংবাদিকদের নজরে এসেছে। এর ফলে রাজনৈতিক ও আইনি জটিলতা আরও বাড়ছে। তল্লাশির প্রতিবাদে তৃণমূলের পক্ষ থেকেও কার্যক্রম দেখা গেছে।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এফআইআর, সিবিআই তদন্ত, মুখ্যমন্ত্রীর নামের অন্তর্ভুক্তি, সবকিছু মিলিয়ে বিষয়টি কেন্দ্রীয় নজরে এসেছে। ইতিমধ্যেই হাইকোর্টে এ বিষয়ে শুনানি চলছে।
এই ঘটনায় সরকারের পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিক্রিয়াও গুরুত্বপূর্ণ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি রাজনীতির পাশাপাশি আইনি দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ কেস।
পরবর্তী সময়ে হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত ও কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার কার্যক্রম দেশের রাজনৈতিক মহলে আলোচনার বিষয় হয়ে থাকবে।
