
I-PAC-এর অফিসে ইডি-র তল্লাশিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এ ঘটনায় ইডি (Enforcement Directorate) সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে। দুইটি পিটিশন দায়ের করা হয়েছে, একটি ইডি-র পক্ষ থেকে, অন্যটি তিনজন ইডি অফিসার, নিশান্ত কুমার, বিক্রম এহেলাওয়াত ও প্রশান্ত চান্ডিলা, তাঁদের স্বতন্ত্র পিটিশন হিসেবে।
মামলায় পার্টি করা হয়েছে রাজ্য সরকার, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, DGP, কলকাতার CP এবং IPS প্রিয়ব্রত রায়কে। আবেদন করে ইডি জানিয়েছে, তল্লাশির সময় বাধা দেওয়া হয়েছে। তিনজন ইডি অফিসারের অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী ও প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা তল্লাশিতে বাধা দেন।
ইডি আগেই আবেদন করেছিল, ঘটনার তদন্তের জন্য CBI/FIR রেকর্ড করার। এ ছাড়াও, যারা ঘটনার সময় উপস্থিত ছিলেন, মুখ্যমন্ত্রী ও পুলিশ আধিকারিকদের ভূমিকা খতিয়ে দেখার জন্যও আবেদন করা হয়েছে। এই ঘটনায় তল্লাশি কার্যক্রম এবং সরকারি কর্মকর্তাদের আচরণ নিয়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক উভয় স্তরে সরগরম আলোচনা শুরু হয়েছে।
রাজ্য রাজনীতিতে I-PAC-র কার্যক্রম ও তল্লাশির এই ঘটনায় যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে, তা সুপ্রিম কোর্টের নজরে পৌঁছানোর পর আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। ইডি-র দাবি অনুযায়ী, তল্লাশিতে বাধা দেয়ার ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। আদালতের মাধ্যমে এই দ্বন্দ্বের সুষ্ঠু সমাধান সম্ভব কিনা, তা সময়ই দেখাবে।
রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গন এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে চলমান উত্তেজনা এই ঘটনার পর আরও জোরালো হয়েছে। I-PAC-এর ভবিষ্যৎ কার্যক্রম, রাজ্য সরকারের প্রতিক্রিয়া এবং সুপ্রিম কোর্টের রায় সব মিলিয়ে পরবর্তী সময়ে আরও গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত হতে পারে।
এই ঘটনার প্রভাব শুধু রাজ্য রাজনীতি নয়, কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার কার্যক্রম এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতার দিক থেকেও নজরকাড়া। I-PAC-এ ED-র তল্লাশির এই ঘটনাকে ঘিরে জনসাধারণ এবং রাজনৈতিক মহলের দৃষ্টি নিবদ্ধ রয়েছে।
