
পুরীর প্রাচীন জগন্নাথ মন্দিরে ফের বোমা হামলার হুমকি পাওয়া গেছে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই বার্তায় বলা হয়েছিল, ‘জগন্নাথ মন্দিরে হামলা হবে এবং মন্দির ধ্বংস করা হবে।’ এমনকি বার্তায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নামও উল্লেখ করা হয়েছিল এবং কয়েকটি ফোন নম্বর দেওয়া হয়েছিল, যেখানে যোগাযোগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
হুমকির খবর পাওয়ার পরই পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে। মন্দির চত্বরে কড়া নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখার পাশাপাশি আশপাশের এলাকা তল্লাশি করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ জানাচ্ছে, ঘটনার উৎস ও উদ্দেশ্য যাচাই করা হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন সকলকে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।
এটি প্রথমবার নয়। গত বছরের অগাস্টেও মন্দিরের দেওয়ালে ওড়িশা ও ইংরেজি ভাষায় হুমকির বার্তা লেখা ছিল। তখনও নিরাপত্তা বাড়িয়ে তল্লাশি চালানো হয়েছিল। স্থানীয়দের অভিযোগ, কিছু অজ্ঞাত পরিচয়ের ব্যক্তি মন্দিরে প্রবেশ করার চেষ্টা করেছিলেন, যা মন্দিরের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।
পুরী মন্দির শুধু ধর্মীয় নয়, বরং সাংস্কৃতিক ও পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রতিটি হুমকি স্থানীয় এবং কেন্দ্রীয় প্রশাসনের জন্য সতর্কতার ঘণিষ্ঠ পরীক্ষা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। পুলিশ ও প্রশাসন মিলে নিয়মিত নজরদারি চালাচ্ছে।
স্থানীয়দের মধ্যে উৎকণ্ঠা থাকলেও প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, পর্যটক এবং ভক্তদের জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা সর্বোচ্চ স্তরে রাখা হয়েছে। বর্তমানে মন্দির চত্বরে প্রবেশে সতর্কতা এবং নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধি করা হয়েছে। তদন্ত চলছে, তবে মন্দিরে ধর্মীয় অনুষ্ঠান যথাসময়ে চলবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুরীর এই বোমা হুমকি ঘটনাটি দেশের অন্যান্য প্রাচীন মন্দিরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুত্বকেও浮ে আনে। ভক্তদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সমাজে শান্তি বজায় রাখা এখন প্রশাসনের প্রধান অগ্রাধিকার।
