
রোহিত শর্মা দেশের চতুর্থ সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান পদ্মশ্রী পাওয়ায় আবেগাপ্লুত তাঁর ছোটবেলার কোচ দীনেশ লাড। নিজে দ্রোণাচার্য পুরস্কারপ্রাপ্ত লাড বলেন, ছাত্রের এই স্বীকৃতি তাঁর জীবনের অন্যতম গর্বের মুহূর্ত। সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় তিনি জানান, ছোটবেলায় যাঁকে প্রথম দেখেছিলেন ১২ বছর বয়সে, আজ সেই রোহিত দেশের সর্বোচ্চ ক্রীড়া আইকনদের একজন হয়ে উঠেছেন।
লাড বলেন, “আমি প্রথম দিন থেকেই বুঝেছিলাম, এই ছেলেটার মধ্যে বিশেষ কিছু আছে। ওর ব্যাটিং দেখেই ওকে বলেছিলাম ব্যাটিংয়ে মন দিতে। রোহিত সেই পরামর্শ মেনেছে এবং সাদা বলের ক্রিকেটে বিশ্বের সেরা ব্যাটারদের একজন হয়েছে।” তাঁর মতে, রোহিতের সাফল্যের মূল চাবিকাঠি আত্মবিশ্বাস ও নিজের উপর অটল বিশ্বাস।
কোচ আরও জানান, রোহিত শুধু সীমিত ওভারের ক্রিকেটেই নয়, লাল বলের ক্রিকেটেও ধারাবাহিকভাবে রান করে নিজেকে প্রমাণ করেছে। বিশ্বকাপ ও চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জয়ের মতো সাফল্য এনে দিয়ে রোহিত দেশের নাম উজ্জ্বল করেছে। “যাঁরা দেশের নাম উজ্জ্বল করেন, তাঁদেরই পদ্মশ্রী দেওয়া হয়। রোহিত সেই যোগ্যতাই দেখিয়েছে,” বলেন লাড।
ব্যক্তিগত আবেগের কথাও তুলে ধরেন তিনি। লাড বলেন, “আমি দ্রোণাচার্য, আমার শিষ্য পদ্মশ্রী, এটা আমার কাছে বিশেষ সম্মানের। একইসঙ্গে আমার ছেলে সিদ্ধেশ লাড মুম্বই দলের অধিনায়ক হয়েছে। এতদিন সবাই আমাকে রোহিতের কোচ হিসেবে চিনত, এখন সিদ্ধেশের কারণেও পরিচিত হচ্ছি। এতে আমার আনন্দ দ্বিগুণ।”
রোহিত শর্মার এই স্বীকৃতি শুধু একজন ক্রিকেটারের ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং ভারতীয় ক্রিকেট ব্যবস্থার শক্ত ভিত ও কোচ-শিষ্য সম্পর্কের গুরুত্বকেও তুলে ধরল। দেশের ক্রীড়ামহলে এই সম্মানকে স্বাগত জানিয়ে অনেকেই বলছেন, রোহিতের পদ্মশ্রী আগামী প্রজন্মের ক্রিকেটারদের জন্য অনুপ্রেরণার নতুন দৃষ্টান্ত।
