
অনেকে তাড়াহুড়োতে বা হঠাৎ গরম চা-কফি মুখে দিলে প্রথম চুমুকেই জিভ পুড়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে প্রাথমিকভাবে দ্রুত আরাম পাওয়ার জন্য কিছু সহজ ঘরোয়া উপায় আছে। সবচেয়ে দ্রুত কাজ করে ঠান্ডা জল বা বরফ মুখে রাখা। বরফ চুষলে বা ভাঙা বরফ পোড়া জিভে রাখলে ক্ষত অচেতন হয়ে ব্যথা কমে যায়।
মধু ও চিনি ব্যবহার করাও কার্যকর। পোড়া অংশে সামান্য মধু বা চিনি লাগালে ব্যথা কমতে সাহায্য করে। ঠান্ডা দুধ বা দইও জিভে লাগালে আরাম পাওয়া যায়। মুখের লালা একটি প্রাকৃতিক উপশমকারী; পোড়া অংশে লালা লাগিয়ে রাখলে জ্বালা কিছুটা কমে।
পরবর্তী যত্নে লবণ জলের কুলকুচি করা জরুরি। হালকা গরম জলে ১/৮ চা চামচ লবণ মিশিয়ে আলতো করে কুলকুচি করলে ক্ষত দ্রুত শুকায় এবং সংক্রমণ কমে। পোড়া জিভ পুরোপুরি ভালো না হওয়া পর্যন্ত খুব গরম, ঝাল বা মশলাদার খাবার এড়িয়ে চলা উচিত। বরং ঠান্ডা ও নরম খাবার যেমন দই, আইসক্রিম বা স্মুদি খাওয়া সুবিধাজনক।
যদি ব্যথা খুব বেশি হয়, প্যারাসিটামল বা আইবুপ্রোফেন জাতীয় ব্যথানাশক ডাক্তারের পরামর্শে খাওয়া যেতে পারে। তবে এক সপ্তাহের বেশি ব্যথা থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
সাধারণত, জিভের পোড়া ক্ষত ২-৩ দিনের মধ্যে ভালো হয়ে যায়। তবে সতর্ক থাকা এবং প্রাথমিক যত্ন নেওয়া গেলে ব্যথা দ্রুত কমে এবং আরাম পাওয়া সহজ হয়। তাই গরম চা বা কফি খাওয়ার আগে সতর্ক থাকা এবং পোড়া ক্ষেত্রে দ্রুত ঘরোয়া প্রতিকার গ্রহণ করা গুরুত্বপূর্ণ।
এই সহজ ও কার্যকর পদ্ধতিগুলো মেনে চললে জিভ পোড়ে গেলে দ্রুত আরাম পাওয়া সম্ভব, আর পুষ্টিকর খাবার ও ঠান্ডা পানীয় ক্ষত নিরাময়ে সহায়তা করে।
