
রাষ্ট্রপতির ভাষণের পর রাজ্যসভায় জবাবি ভাষণ শুরু করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শুরু থেকেই উত্তাল হয়ে ওঠে সংসদ ভবন। বিরোধী সাংসদদের স্লোগানের মধ্যেও নিজের বক্তব্য চালিয়ে যান মোদী। কংগ্রেসের সাংসদ মল্লিকার্জুন খড়্গের দিকে ইঙ্গিত করে মোদী বলেন, “আপনি বসেই স্লোগান দিন।”
ভাষণের শুরুতেই বহু বিরোধী সাংসদরা ওয়াক-আউট করেন। এদেরকেও আক্রমণ করতে ভোলেননি প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “কিছু লোক এখনই হাল ছেড়ে দিয়েছেন, কিন্তু আপনাদেরও উত্তর দিতে হবে।” কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তোপ দাগতে গিয়ে মোদী বলেন, লালকেল্লা থেকে যে প্রধানমন্ত্রীরা ভাষণ দিয়েছেন, তাদের মধ্যে দূরদৃষ্টি ছিল না। “দেশকে পিছিয়ে পড়তে হয়েছে, আমাদের প্রচুর শক্তি কংগ্রেসের ভুল সংশোধনে ব্যয় হয়েছে। আমাদের নীতিমূলক পরিকল্পনাই আজ দেশের চালিকা শক্তি।”
বাংলার প্রসঙ্গও উঠে আসে মোদীর মুখে। তৃণমূল সরকারকে “নির্মম” বলে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “এই সরকারের ত্রুটি মানুষের ভবিষ্যত অন্ধকারে ফেলছে। ক্ষমতা ধরে রাখার জন্যই তারা সেই নির্মমতাকে প্রশ্রয় দিচ্ছে।” অনুপ্রবেশকারীদের বিষয়ে মোদী আরও বলেন, “প্রতিটি দেশের মতো আমরা চাই অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ন্ত্রণ, কিন্তু এখানে তারা আদালতের কাছে গিয়ে চাপ সৃষ্টি করছে, যা যুব প্রজন্মের চাকরি এবং আদিবাসীদের জমি কেড়ে নিচ্ছে।”
মোদীর এই ভাষণ রাজ্যসভায় রাজনৈতিক উত্তেজনার মাত্রা আরও বাড়িয়েছে। বিরোধীরা ওয়াক-আউট করে বিক্ষোভ দেখালেও প্রধানমন্ত্রী নিজের বক্তব্যে নীতি ও দেশভক্তির বার্তা ধরে রাখেন। আগামী দিনে এই উত্তেজনা রাজনীতিতে নতুন নাটক ও বিতর্কের জন্ম দিতে পারে।
