
কংগ্রেস নেতা ও লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর রাজ্যসভার ভাষণের জবাবে সংসদের বাইরে কটাক্ষ করেন, “যা উচিত বোঝো তাই করো”। শুক্রবার রাজ্যসভায় মোদীর ভাষণের পর বিরোধী সাংসদরা সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান এবং একই স্লোগান তুলে ধরেন। তারা “ফাঁদের চুক্তি” লেখা প্ল্যাকার্ডও হাতে নেন। এ অবস্থায় লোকসভা দিনের জন্য মুলতবি হয়ে যায় এবং ৯ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টায় আবার অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে।
ঘটনার একদিন আগে প্রধানমন্ত্রী মোদী কংগ্রেসের ওপর তীব্র আক্রমণ করেন। তিনি বিজেপি সাংসদ রভনীত সিং বিট্টুর বিরুদ্ধে করা বিতর্কিত “বিশ্বাসঘাতক” মন্তব্যের জন্য কংগ্রেসকে নিশানা করেন। মোদী বলেন, এই মন্তব্য শিখ সম্প্রদায় ও গুরুদের প্রতি অসম্মান প্রকাশ করে এবং কংগ্রেসের অহংকারের চরম পর্যায়কে নির্দেশ করে।
বুধবার সংসদের মকর দ্বারের কাছে রাহুল গান্ধী ও রভনীত সিং বিট্টুর মধ্যে তর্কবিতর্ক শুরু হয়। রাহুল বলেন, “এই যে একজন বিশ্বাসঘাতক হেঁটে যাচ্ছে, মুখটা দেখুন।” পরে তিনি যোগ করেন, “হ্যালো ভাই, আমার বিশ্বাসঘাতক বন্ধু। চিন্তা করবেন না, আপনি ফিরে আসবেন।” বিট্টু হাত মেলাতে অস্বীকার করেন এবং পাল্টা জবাবে রাহুলকে “দেশের শত্রু” বলেন।
এই ঘটনায় সংসদে উত্তেজনা তৈরি হয়। কংগ্রেসের বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী মোদীকে সরাসরি কটাক্ষ করেন এবং সরকারের নীতির বিরুদ্ধে বিরোধী প্রস্তাব তুলে ধরেন। বিরোধী দলের প্রতিবাদ ও স্লোগান বৃদ্ধির কারণে অধিবেশন সাময়িকভাবে স্থগিত করতে হয়।
রাজ্যসভা ও লোকসভায় রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়া এই ঘটনা দেশের রাজনীতিতে নতুন আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। বিরোধী দলনেতাদের কৌশল ও সরকারের প্রতিক্রিয়া নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা তৎপর।
