
জিম্বাবোয়ের হারারে স্পোর্টস ক্লাবে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারত ও ইংল্যান্ডের মুখোমুখি খেলা অনুষ্ঠিত হয়। ম্যাচে ভারত দেখালো আক্রমণাত্মক ক্রিকেটের অনন্য উদাহরণ। টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত, আর ম্যাচের শুরু থেকেই রানের পাহাড় গড়ে তারা।
তরুণ ব্যাটার বৈভব সূর্যবংশী ৮০ বলের মধ্যে ১৭৫ রান করে অপ্রতিদ্বন্দ্বী ইনিংস উপহার দেন। তাঁর ব্যাটিংয়ে ১৫টি চার এবং ১৫টি ছয় ছিল, স্ট্রাইক রেট ২১৮.৭৫। অধিনায়ক আয়ুষ মাত্রো ৫৩ রান এবং বেদান্ত ত্রিবেদী ৩২ রান সংগ্রহ করেন। ওপেনারদের পার্টনারশিপে ভারত গড়ে তোলে বড় স্কোর: আয়ুষের সঙ্গে ১৪২ রান এবং বেদান্তের সঙ্গে ৮৯ রান। ৫০ ওভার শেষে ভারত ৯ উইকেট হারিয়ে ৪১১ রান করে।
ইংল্যান্ডের ইনিংস শুরুতে কিছুটা প্রতিরোধ দেখালেও তাদের রানের ধারা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। জোসেফ মুরস মাত্র ১৭ রান করে আউট হন। বেন ডকিন্স ৬৬ রান ও বেন মায়েস ৪৫ রান করেন। ক্যালেব ফ্যালকনার ৬৭ বলের ১১৫ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেললেও ভারতের বিশাল স্কোরের কাছে তা যথেষ্ট নয়। ৪০.২ ওভারে ইংল্যান্ডের ইনিংস শেষ হয় ৩১১ রানে।
ফাইনাল জয়ে ভারত অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেটে নতুন ইতিহাস গড়ল। বৈভব সূর্যবংশীর বিধ্বংসী ইনিংস, আয়ুষের সহায়তা এবং দলের সামগ্রিক পারফরম্যান্স ভারতকে ১০০ রানের বিশাল জয় এনে দেয়। ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য এটি আনন্দের মুহূর্ত।
এই জয়ের সঙ্গে ভারত আবারও অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের মুকুট নিজের দখলে নিয়েছে, যা দেশের যুব ক্রিকেটে নতুন উদ্দীপনা এবং আত্মবিশ্বাস যোগ করবে।
