
অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীর করা মামলায় অবশেষে জামিন পেলেন তনয় শাস্ত্রী। তবে তার জেলমুক্তি এখনই সম্ভব নয়। পুলিশকে হেনস্তার অভিযোগে তনয় শাস্ত্রীসহ আরও দুইজনের চারদিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
ঘটনা ২৫ জানুয়ারি বনগাঁর নয়া গোপালগঞ্জে ঘটে। একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মিমি চক্রবর্তী। সেখানে ক্লাবের এক কর্মকর্তা হিসেবে তনয় শাস্ত্রীর বিরুদ্ধে হেনস্থার অভিযোগ ওঠে। নামানো হয় মিমিকে স্টেজ থেকে এবং বন্ধ করে দেওয়া হয় গান। এরপর বনগাঁ থানায় মিমি অভিযোগ দায়ের করেন।
২৯ জানুয়ারি অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে গিয়ে পুলিশ বাধার মুখে পড়ে। এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। শেষ পর্যন্ত গ্রেফতার করা হয় তনয় শাস্ত্রীসহ দুইজনকে, যাদের বিরুদ্ধে পুলিশকে হেনস্থা এবং পুলিশের কাজে বাধার অভিযোগও ছিল।
৩০ জানুয়ারি আদালতে প্রথমবার হাজির করা হয় অভিযুক্তদের। পুলিশ ৭ দিনের হেফাজতের আবেদন করলেও বিচারক ৪ দিনের নির্দেশ দেন। সেই হেফাজত শেষে, চলতি মাসের ৩ তারিখ আবারও আদালতে তোলা হয়। পুলিশ পুনরায় ৭ দিনের হেফাজতের আবেদন করেন এবং শ্লীলতাহানির ধারা যুক্ত করারও আবেদন করেন।
তনয়ের আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করলেও তা খারিজ হয়। তবে আদালত মিমি চক্রবর্তীর গোপন জবানবন্দি নেওয়ার নির্দেশ দেন, যা ইতিমধ্যেই নেওয়া হয়েছে। এরপর তনয় শাস্ত্রী মিমির মামলায় জামিন পান।
তবে পুলিশের কাজে বাধা এবং হেনস্তার মামলায় তিনি ১১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জেলেই থাকবেন। আগামী শুনানিতে এই মামলার পরবর্তী পরিস্থিতি স্পষ্ট হবে।
এই ঘটনার ফলে বনগাঁয়ে সামাজিক উত্তেজনা এবং মিডিয়ার নজর কেড়েছে। বিষয়টি স্থানীয় সমাজের জন্যও একটি বড় সংবাদ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
