
দিল্লি: ভারত–পাকিস্তান ম্যাচ মানেই আলাদা উত্তাপ, আলাদা আবেগ। টি–২০ বিশ্বকাপ ২০২৬–এ ১৫ ফেব্রুয়ারির মহারণ ঘিরে সেই চিরচেনা উত্তেজনাই তুঙ্গে। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অবশ্য ভারতের পক্ষেই কথা বলছে। শেষ দশ সাক্ষাতে আটবার জিতেছে টিম ইন্ডিয়া। তবু আত্মবিশ্বাসে ভাটা নেই পাকিস্তান শিবিরে। বরং স্পষ্ট বার্তা দিলেন ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান, রবিবারের লড়াই একতরফা হবে না।
ফারহানের দাবি, অতীতের হিসেব কষে মাঠে নামলে চলবে না। এশিয়া কাপের ফাইনালের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “ম্যাচ একপেশে ছিল না, আমরা শেষ পর্যন্ত লড়েছি।” তাঁর কথায়, বড় ম্যাচের তকমা গায়ে মেখে বাড়তি চাপ নেওয়ার প্রয়োজন নেই। স্বাভাবিক ক্রিকেট খেললেই ফল আসবে।
ভারতের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত পরিসংখ্যানও ফারহানের পক্ষে। তিন ম্যাচে ১৫৫ রান, গড় পঞ্চাশের বেশি। জসপ্রীত বুমরাহদের মতো বোলারদের সামলেও আত্মবিশ্বাস হারাননি তিনি। সাম্প্রতিক ম্যাচে আমেরিকার বিরুদ্ধে ৭৩ রানের ঝোড়ো ইনিংস তাঁর ফর্মের ইঙ্গিত দিচ্ছে। অনুশীলনেও নাকি বল ব্যাটে ভালো আসছে বলে জানিয়েছেন এই ওপেনার।
পাকিস্তান অধিনায়ক সলমন আঘাও আক্রমণাত্মক ক্রিকেটের পক্ষে সওয়াল করেছেন। আগে ব্যাট করলে বড় রান তোলার লক্ষ্য, পরে হলে আত্মবিশ্বাসী রানতাড়া—দুই পরিকল্পনাই প্রস্তুত। তাঁর মতে, ১৯০–এর কাছাকাছি স্কোর গড়তে পারলে বোলিং বিভাগ ম্যাচ ঘুরিয়ে দিতে সক্ষম। তবে পাওয়ারপ্লে–তে আরও শানিত পারফরম্যান্সের প্রয়োজন স্বীকার করেছেন তিনি।
সব মিলিয়ে কাগজে–কলমে ভারত এগিয়ে থাকলেও মানসিক লড়াইয়ে পিছিয়ে থাকতে নারাজ পাকিস্তান। ফারহানের সোজাসাপ্টা বার্তা, ভয় নয়, আক্রমণই সেরা অস্ত্র। তাই রবিবারের মঞ্চে শুধু ব্যাট–বলের দ্বৈরথ নয়, স্নায়ুর লড়াইও হতে চলেছে সমান গুরুত্বপূর্ণ।
