
রাজ্যজুড়ে শ্রমিক সংগঠনগুলোর ধর্মঘট ও উচ্চ-মাধ্যমিক পরীক্ষার মধ্যেই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ক্রমশ তীব্র হচ্ছে। বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে উচ্চ-মাধ্যমিক চতুর্থ সেমিস্টারের পরীক্ষা। অভিভাবকরা শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি ও পড়াশোনার অনিয়ম নিয়ে উদ্বিগ্ন; অনেকেই PDF দেখে পড়াশোনা করেছে, বই সময়মতো পৌঁছায়নি, এমন অভিযোগ রয়েছে।
সেখানে AIUTUC সহ ১০টি কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নের ডাকে শ্রম কোড বাতিলের দাবি নিয়ে শিল্প ধর্মঘট শুরু হয়েছে। লেনিন সরণি থেকে মৌলালি হয়ে ধর্মতলা পর্যন্ত শ্রমিকরা মিছিল করেন। Purulia-তে এক পরিযায়ী শ্রমিক সুখেন মাহাতোর মৃত্যুও চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। সে কয়েক বছর আগে মহারাষ্ট্রে কাজ করতে গিয়েছিল, কিন্তু ফেরেনি। তার দেহ ১০ ফেব্রুয়ারি উদ্ধার হয়।
রাজ্য রাজনীতিতেও গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব দেখা যাচ্ছে। তৃণমূলের তিন নেতা একযোগে পদত্যাগ করেছেন। দলীয় নেতৃত্বের অভ্যন্তরীণ সংঘাত প্রকাশ পেয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে শাসক থেকে বিরোধী সব দল ভোট প্রচারে ব্যস্ত। কয়েক দিনের মধ্যে আসন্ন নির্বাচনে ভোটদাতাদের প্রতিক্রিয়ার দিকে নজর থাকবে।
বাংলাদেশেও ভোটগ্রহণ হয়েছে শান্তিপূর্ণভাবে, যদিও ভোট শতাংশ প্রায় ৪০% বা তার কম। দুই ভোট একত্রে হওয়ায় ফলাফল প্রকাশ হতে শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
রাজ্যবাসী এখন একই সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শ্রমিক আন্দোলন ও রাজনৈতিক ঘটনার প্রভাবে সচেতন। শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শ্রমিক ও রাজনীতিক, সবার দৃষ্টি এখন চলমান পরিস্থিতির দিকে। আগামী কয়েকদিনে রাজ্য রাজনীতি ও সামাজিক পরিবেশে প্রভাব কী হবে, তা নজরকাড়া বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
উচ্চ-মাধ্যমিক পরীক্ষা, শ্রমিক ধর্মঘট ও নির্বাচনী প্রচারের মধ্যে রাজ্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভোটের আগে সামাজিক ও রাজনৈতিক উত্তেজনা কেমন থাকে, সেটাই এখন মূল চ্যালেঞ্জ।
