
বাংলাদেশে ক্ষমতার পালা বদলের মধ্যেই অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি পদ্মাপাড়ে। প্রায় তিন দশক পর বিএনপি ক্ষমতায় ফিরতেই অশান্ত পরিস্থিতি ওপার বাংলায়। এখনো পর্যন্ত আহুতের সংখ্যা ২৪। শৈল কূপায় হামলা চালানো হয়েছে মহেশপুর, কালিগঞ্জ, ঝিনাইদহে। মহেশপুর এর প্রেসক্লাবে হামলা চালানো হয়েছে। চেয়ার, টেবিল, ফ্যান লাইট ভাঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। একেবারে লণ্ডভণ্ড পরিস্থিতি প্রেসক্লাবের। শুধু প্রেসক্লাব নয় একাধিক বাড়িতেও ভাঙচুর চালানো হয়েছে।
প্রথম আলোর সুত্রে খবর, ২৯৭ টি আসনের মধ্যে ২০০’র বেশি আসনে জিতে বাংলাদেশের মসনদে বিএনপি। দেশ জুড়ে মৌলবাদের বিষ ছড়িয়েও দাগ কাটতে পারল না জামাত। জামাত যেভাবে ক্ষমতায় ফিরতে চেয়েছিল সেই ভাবে ক্ষমতায় ফিরতে পারল না তারা । আর বিএনপি ক্ষমতায় ফিরতেই অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠল বাংলাদেশের পরিস্থিতি।
উল্লেখ্য, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর, বাংলাদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে চলে যায়। তারপর থেকেই হিন্দুদের ওপর অত্যাচার, হিন্দুদের বাড়িঘর ভাঙচুর করা জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া, ইসকন মন্দিরে হামলা চালানো, নারীদের সম্মান লুট করা, ধর্ষণ করা, গবাদি পশু চুরি এসব ধরনের অসামাজিক কার্যকলাপ চলত ওপার বাংলায়। সাধারণ মানুষরা চেয়েছিল, বাংলাদেশে নির্বাচিত সরকার গঠন করা হোক। আর সেই দিনই ফের অশান্ত হয়ে উঠলো বাংলাদেশ।
তবে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে, এবার কি বাংলাদেশে সুনিশ্চিত হবে হিন্দুদের নিরাপত্তা? তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষায় কঠোর আইন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, সেই প্রতিশ্রুতি সত্যি হবে? হিন্দুদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত হওয়া এখন পুরোপুরি নির্ভর করছে নতুন সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার ওপর।
