
বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরেই তীব্র প্রতিক্রিয়া জানালেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী Sheikh Hasina। নির্বাচনকে তিনি “পরিকল্পিত প্রতারণা” ও “প্রহসন” বলে আখ্যা দিয়েছেন। তাঁর দাবি, এটি জনমতের প্রতিফলন নয়, বরং প্রশাসনিক কারচুপির মাধ্যমে সাজানো একটি ভোট প্রক্রিয়া।
এবারের নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি Bangladesh Awami League। বিপুল আসন পেয়ে সরকার গঠনের পথে Bangladesh Nationalist Party। দলের প্রধান Tarique Rahman প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন। তবে ফলাফল মানতে নারাজ হাসিনা। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত ভোটের শতাংশে গুরুতর অসঙ্গতি রয়েছে।
হাসিনার বক্তব্য অনুযায়ী, মোট ভোটার ছিল ১২ কোটিরও বেশি। সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটে পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে। কমিশনের তথ্য বলছে, সকাল ১১টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ১৪.৯৬ শতাংশ, কিন্তু মাত্র এক ঘণ্টার ব্যবধানে তা বেড়ে ৩২.৮৮ শতাংশে পৌঁছে যায়। অর্থাৎ এক ঘণ্টায় প্রায় ১৮ শতাংশ ভোট বৃদ্ধি—যা তাঁর মতে “বাস্তবে অসম্ভব”। তিনি দাবি করেন, এই হিসেবে প্রতি ৫-৬ সেকেন্ডে একটি করে ভোট পড়েছে, যা পরিসংখ্যানগতভাবে অস্বাভাবিক।
এছাড়া ভোটের আগের দিন বিভিন্ন স্থানে হিংসা, কেন্দ্র দখল, ব্যালট ছিনতাই এবং আগাম ব্যালট বাক্স ভরার অভিযোগও তোলেন হাসিনা। বিশেষ করে বিএনপি ও Bangladesh Jamaat-e-Islami-র বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আনা হয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান Muhammad Yunus-এরও সমালোচনা করে হাসিনা বলেন, এই সরকার জনগণের ভোটাধিকার ক্ষুণ্ণ করেছে। তাঁর কথায়, এই নির্বাচন গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করেনি, বরং রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এখন দেখার, এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়।
