
বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনে বিপুল সমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিএনপি। আগামী মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন তারেক রহমান। একই দিনে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদেরও শপথ গ্রহণের কথা রয়েছে। ঢাকার জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় এই শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন শপথবাক্য পাঠ করাবেন বলে জানা গিয়েছে।
তারেক রহমানের শপথগ্রহণ ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে কূটনৈতিক তৎপরতা। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। কূটনৈতিক সূত্রের খবর, ভারতের পাশাপাশি চিন ও পাকিস্তানকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এছাড়া সৌদি আরব, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ ও ভুটানের রাষ্ট্রনেতারাও আমন্ত্রিত দেশের তালিকায় রয়েছেন।
প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, নির্বাচনে জয়ের পর বিএনপি নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতেই ১৩টি দেশের প্রধানকে আমন্ত্রণ জানানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই শপথ অনুষ্ঠান শুধু রাজনৈতিক পালাবদলের আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং আঞ্চলিক কূটনীতির ক্ষেত্রেও তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
ভারতের তরফে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। তবে সূত্রের দাবি, নয়াদিল্লি এই অনুষ্ঠানে প্রতিনিধিত্ব পাঠাতে পারে। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের নাম সম্ভাব্য প্রতিনিধি হিসেবে শোনা যাচ্ছে। সব মিলিয়ে তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক সমীকরণে নতুন অধ্যায়ের ইঙ্গিত মিলছে।
