
বাংলাদেশের সাম্প্রতিক নির্বাচনকে উদাহরণ হিসেবে তুলে মুখ্যমন্ত্রী বাংলায় ভোট প্রক্রিয়া নিয়ে তীব্র সমালোচনা করলেন। তাঁর অভিযোগ, যেখানে প্রতিবেশী দেশে নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে, সেখানে বাংলায় ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া বা ভোট প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলতে চেষ্টা করা হচ্ছে।
নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, “কে কোথায় কী পরিকল্পনা করছেন, সব খবর আমাদের কাছে আছে।” মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোটার তালিকার স্বচ্ছতা রক্ষার আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রকৃত ভোটারদের নাম নিশ্চিত করতে প্রশাসনের সঙ্গে সবরকম সহযোগিতা করবেন। তিনি হুঁশিয়ারি দেন, কোনও পদ চিরস্থায়ী নয় এবং অতীতের সংঘাত উদাহরণ টেনে বোঝান, প্রশাসনকে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রীয় সংস্থা এনআইএ-র ভূমিকাকেও সমালোচনা করেছেন। তাঁর অভিযোগ, রাজ্যে অশান্তি ঘটলে সংস্থা সক্রিয় হয়, অন্য রাজ্যের ঘটনার ক্ষেত্রে নীরব থাকে। ভোটের আগে বিভিন্ন আর্থিক অনুদান বা প্রতিশ্রুতির প্রসঙ্গেও তিনি কেন্দ্রকে কটাক্ষ করেছেন।
মমতার বক্তব্যে সাধারণ মানুষের জীবন এবং হাসপাতালের পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ পাওয়া যায়। তিনি বলেন, ভোটের সময় প্রশাসন তৎপর হলেও পরে তা শিথিল হয়ে যায়, যা জনগণের জন্য প্রভাব ফেলে।
সবমিলিয়ে, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের সুষ্ঠু উদাহরণ টেনে মমতা ভারতের জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। বাংলায় ভোটার তালিকা ও ভোট প্রক্রিয়ায় কোনও ‘কারচুপি’ বরদাস্ত করা হবে না, তা স্পষ্ট বার্তা দেন তিনি।
