
বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায় শুরু হতে চলেছে মঙ্গলবার বিকেলে, যখন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করবেন। বিকাল চারটায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হবে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। রাষ্ট্রপতি মহম্মদ সাহাবুদ্দিন শপথ বাক্য পাঠ করাবেন, আর নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের জন্য সকাল থেকে শুরু হবে শপথ গ্রহণ।
শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের পক্ষ থেকে নরেন্দ্র মোদি এর আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দিতে যাচ্ছেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এবং বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি। অনুষ্ঠানে ভারত, পাকিস্তানসহ ১৩টি দেশের রাষ্ট্র প্রতিনিধি উপস্থিত থাকবেন। মোট ১২০০ অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
এই মুহূর্তে বাংলাদেশে সংসদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার না থাকায়, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন নবনির্বাচিতদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন। শপথ গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশের রাজনীতিতে নজির গড়বে একই পরিবারের তিন প্রজন্মের রাষ্ট্রপ্রধান থাকা – প্রথমে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, তার পর খালেদা জিয়া এবং এবার পুত্র তারেক রহমান।
বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, সংবিধান সংশোধন পরিষদে নবনির্বাচিতদের শপথ দেওয়ার প্রস্তাব আপাতত স্থগিত থাকবে। বিপুল জয়ের পরও তারেক একটি ছোট মন্ত্রিসভা গঠন করছেন। এই শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিসরে নতুন পরিবর্তন ও সমীকরণের সূচনা হচ্ছে, যেখানে অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক উভয় ক্ষেত্রেই নজরদারি গুরুত্বপূর্ণ হবে।
বাংলাদেশের রাজনীতির জন্য আজকের দিন এক স্মরণীয় ঘটনা। শপথের মধ্য দিয়ে দেশীয় রাজনীতিতে নতুন নেতৃত্বের শক্তি এবং তার আন্তর্জাতিক পরিপ্রেক্ষিত দুইয়েরই পরীক্ষা শুরু হবে।
