
টলিউড অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীকে (Mimi Chakraborty) নিয়ে নতুন আইনি জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। বনগাঁর একটি অনুষ্ঠানে নির্ধারিত সময়ের প্রায় দুই ঘণ্টা পরে পৌঁছনোর অভিযোগে অনুষ্ঠান আয়োজক তনয় শাস্ত্রী অভিনেত্রীকে আইনি নোটিস পাঠিয়েছেন। নোটিসে পারিশ্রমিক ২.৬৫ লক্ষ টাকা ফেরত চাওয়া হয়েছে এবং ২০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের পাশাপাশি ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
উদ্যোক্তার আইনজীবী তরুনজ্যোতি তিওয়ারি জানিয়েছেন, এই ঘটনায় দেওয়ানি এবং ফৌজদারি উভয় ধরনের মামলা করা হতে পারে। অভিযোগ অনুযায়ী, মিমি রাত ৯টা ৩০ মিনিটে উপস্থিত হওয়ার কথা থাকলেও তিনি ১১টা ৩০ মিনিট নাগাদ পৌঁছান। প্রশাসন বনগাঁ মহকুমা শাসকের অনুমতি দিয়েছিলেন অনুষ্ঠান রাত ১২টা পর্যন্ত চলার জন্য। দেরিতে উপস্থিত হওয়ায় অনুষ্ঠান আয়োজনে সমস্যা তৈরি হয়েছে বলে উদ্যোক্তারা দাবি করেছেন।
এই ঘটনার পেছনে আরও একটি জটিল দিকও রয়েছে। চলতি মাসে আদালতে মিমি গোপন জবানবন্দি দিয়েছেন, যেখানে তনয় শাস্ত্রীর বিরুদ্ধে হেনস্থার অভিযোগ ছিল। পুলিশের অনুসন্ধান চলাকালীন তনয় ও তার সহযোগীদের গ্রেফতার করা হয়েছিল। পরে শারীরিক হেনস্থার অভিযোগও যুক্ত হয়েছে। ফলে একই ঘটনা ঘিরে দুই দিক থেকে আইনি জটিলতা তৈরি হচ্ছে—একদিকে উদ্যোক্তার ক্ষতিপূরণের দাবি, অন্যদিকে মিমির অভিযোগ।
এই ঘটনায় টলিউডের মধ্যে আলোচনা তীব্র হয়েছে। আইনজীবীরা মনে করছেন, উভয় পক্ষের মধ্যে সমাধান না হলে আদালতে দেওয়ানি এবং ফৌজদারি মামলার প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। বনগাঁ কাণ্ডটি এখন মিমি চক্রবর্তী এবং আয়োজক তনয় শাস্ত্রীর জন্য একাধিক আইনি ও সামাজিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে দাঁড়িয়েছে।
