
বিজেপিতে রাজ্য নেতৃত্বে ফিরেছেন দিলীপ ঘোষ, কিন্তু দলের কিছু অভ্যন্তরীণ বিষয় ঘিরে ক্ষোভ উগরে দিলেন তাঁর স্ত্রী রিঙ্কু মজুমদার। শুক্রবার মেদিনীপুরের রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক ভবনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে রিঙ্কু স্পষ্ট বলেন, “আমাদের মতো মানুষদের রাজনীতিতে ভ্যালু কমই থাকে। আমরা স্পষ্টবক্তা। সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা রাখি। বাংলার রাজনীতিতে এই ধরনের মানুষকে প্রায়ই সাইডে রাখা হয়।”
রিঙ্কু জানান, তিনি বিজেপির প্রার্থী হতে বায়োডাটা জমা দিয়েছেন মেদিনীপুর, বীজপুর ও নিউটাউনের জন্য। বীজপুর ছিল তাঁর মূল লক্ষ্য এলাকা, কারণ সেটি তাঁর জন্মস্থান। তিনি বলেন, “টিকিট পেতে বা না পেতে সবই ৫০-৫০ সম্ভাবনা। দাঁড়ানোর জন্য দাঁড়াই না, জিততে চাই।”
দলের ভিতরে সোচ্চার হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে রিঙ্কু বলেন, “দলের ভিতরে যদি আমি মন খুলে কথা বলতে না পারি, তবে বিরোধীদের সঙ্গে কীভাবে লড়াই করব? আমাকে যদি ব্ল্যাকলিস্ট করা হয়, তাতে কিছু যায় আসে না। কখনও বাজে কাজ করিনি, মিথ্যা বলতে শিখিনি। অভিনয় ও ম্যানিপুলেশন আমার অভিধানে নেই।”
রিঙ্কু আরও জানান, রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু দু’দিন ধরে দেখা করানো হয়নি। “পরের দিন আসুন বলায় আমি আর যাইনি। আমার সিভি অন্য কাউকে দিয়ে পাঠিয়েছি,” যোগ করেন তিনি।
মেদিনীপুরে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় এই বিজেপি নেত্রী জানালেন, দলের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়ায় অনেকের সম্ভাবনা উপেক্ষিত হয়, যার কারণে কার্যকর্তারা পূর্ণভাবে স্বীকৃতি পান না। তার কথায়, রাজনৈতিক স্বচ্ছতা ও সৎ কাজের মূল্য কমে যাওয়াই মূল সমস্যা।
