
কলকাতা: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইট পর্বে ‘প্রি-সিডিং’ নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছে আইসিসি। গ্রুপ পর্ব শেষে আটটি দল সুপার এইটে উঠলেও, পূর্বনির্ধারিত স্লটের কারণে ভারসাম্যহীনতা দেখা দিয়েছে। গ্রুপ এ-তে চারটি চ্যাম্পিয়ন দল ভারত, জিম্বাবোয়ে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও দক্ষিণ আফ্রিকা একসাথে থাকায় শক্তিশালী দলের মধ্যে দু’টি দল সেমিফাইনালে পৌঁছাতে পারবে না। অন্যদিকে গ্রুপ বি-তে চারটি রানার্স দল পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড তুলনামূলক সহজ পথ পাচ্ছে।
সমালোচকরা বলছেন, গ্রুপে প্রথম হওয়া দলকে সুবিধা দেওয়া স্বাভাবিক, যাতে পরবর্তী পর্বে তুলনামূলক সহজ প্রতিপক্ষ পায়। কিন্তু প্রি-সিডিং ব্যবস্থা এই ন্যায়িক ভারসাম্যকে বাধাগ্রস্ত করছে। প্রথম দুই ম্যাচে যে দল জিতবে, তার বাকি গ্রুপ ম্যাচের গুরুত্বও কমে যাবে। শ্রীলঙ্কার উদাহরণ দিয়ে সমালোচকরা আরও অভিযোগ করেছেন, সেমিফাইনালে তারা হয়তো নিজেদের দর্শকদের সামনে খেলার সুযোগও নাও পেতে পারে।
আইসিসি বলেছে, ভারত ও শ্রীলঙ্কায় যৌথভাবে টুর্নামেন্ট আয়োজনের কারণে ভেন্যু ও সূচি পূর্বনির্ধারণ জরুরি ছিল। লজিস্টিক ও সম্প্রচার সংক্রান্ত কারণে প্রি-সিডিং করা হয়েছে। তবে সমর্থকদের মধ্যে বিতর্ক এখনো তীব্র।
