
আরজি কর চিকিৎসক ছাত্রী ধর্ষণ ও খুন মামলায় আদালত সিবিআই-এর তদন্তের ধীরগতি নিয়ে তীব্র মন্তব্য করেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে শিয়ালদহ আদালতে করা আবেদনের শুনানির পর বিচারক পর্যবেক্ষণ দেন, “সিবিআই-এর এই বিষয়টা দেখা উচিত ছিল। ১৫ মাস ধরে তদন্ত চলছে, গতি বাড়ানো প্রয়োজন।”
পরিবারের পক্ষ থেকে কয়েকজন চিকিৎসক ও পুলিশ কর্মকর্তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার আবেদন করা হয়েছিল। আদালত আবেদন খারিজ না করে বলেছে, তদন্তের গতিবৃদ্ধি জরুরি। একই সঙ্গে পরিবারের আইনজীবীরা অভিযোগ করেন, সিবিআই-এর স্টেটাস রিপোর্ট বিশ্বাসযোগ্য নয় এবং প্রথম ও পরবর্তী রিপোর্টের মধ্যে বড় পার্থক্য রয়েছে।
আইনজীবীরা সিসিটিভি ফুটেজও আদালতে চেয়ে আবেদন জানিয়েছেন। আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, তদন্তের গতিবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সিবিআইকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। মামলায় আরও বলা হয়েছে, সিবিআই বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশীদার কিনা, তা খতিয়ে দেখা হবে।
মোট কথা, আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছেন, শুধু আবেদন প্রক্রিয়ায় নয়, পুরো তদন্তে গতিশীলতা আনতে সিবিআইকে সক্রিয় হতে হবে।
