
সীমান্ত উত্তেজনা চরমে উঠতেই অবশেষে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য যুদ্ধ ঘোষণা করল Pakistan। শুক্রবার গভীর রাতে কাবুল ও কান্দাহারে একযোগে হামলার পর ইসলামাবাদের দাবি, ১৩৩ তালিবান জঙ্গি নিহত হয়েছে। যদিও এই দাবি মানতে নারাজ Taliban নেতৃত্বাধীন কাবুল প্রশাসন।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী Shehbaz Sharif মাঝরাতে এক বিবৃতিতে জানান, সীমান্তে যে কোনও হামলার কঠোর জবাব দেবে পাকিস্তানি সেনা। তাঁর কথায়, “গোটা জাতি সেনাবাহিনীর পাশে আছে।” পরে প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মহম্মদ আসিফও সোশ্যাল মাধ্যমে জানান, কূটনৈতিক পথে সমাধানের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে সরকার।
ইসলামাবাদের দাবি, সাম্প্রতিক সীমান্ত আক্রমণের জবাব হিসেবেই কাবুল ও কান্দাহারে ‘টার্গেটেড এয়ারস্ট্রাইক’ চালানো হয়েছে। তবে কাবুলের তরফে জানানো হয়েছে, পাকিস্তানের হামলায় ১২ জন সাধারণ নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি বাড়ছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, শুক্রবার রাতভর রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্তে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
এদিকে তালিবানের মুখপাত্র প্রথমে পাল্টা জবাব দেওয়ার দাবি করলেও পরে সেই পোস্ট মুছে ফেলেন। পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হচ্ছে। সীমান্তের ডুরান্ড লাইন ইস্যু ঘিরে বহুদিনের টানাপোড়েন এবার সরাসরি সংঘাতে রূপ নিল।
আন্তর্জাতিক মহল উদ্বিগ্ন। United Nations-এর মহাসচিব দুই দেশকেই সংযম বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। তবে ময়দানের পরিস্থিতি বলছে, উত্তেজনা আপাতত থামার নয়। দক্ষিণ এশিয়ায় নতুন করে অশান্তির ছায়া ঘনাচ্ছে।
