
মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা এবং ইরান-ইজরায়েল সংঘাতের আবহে রবিবার রাতেই জরুরি বৈঠকে বসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দু’দিনের সফর শেষ করে দিল্লি ফিরেই তিনি ‘ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটি’ (CCS)-র সদস্যদের নিয়ে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করবেন বলে সরকারি সূত্রে জানা গেছে।
ANI জানিয়েছে, রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ প্রধানমন্ত্রীর বিমান দিল্লিতে অবতরণ করার কথা। বিমানবন্দরে নেমেই তিনি দেশের শীর্ষ নিরাপত্তা আধিকারিক ও মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। সূত্রের খবর, এই বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয় হল ইরানের বর্তমান পরিস্থিতি এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে আটকে পড়া ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা ও তাঁদের সরিয়ে আনার পরিকল্পনা। একই সঙ্গে এই যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব ভারতের জাতীয় নিরাপত্তায় কতটা পড়তে পারে, তাও খতিয়ে দেখা হবে।
উল্লেখ্য, গত ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ইজরায়েল সফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। সেখানে ইজরায়েলি পার্লামেন্ট ‘নেসেট’-এ ভাষণ দেওয়ার সময় তিনি দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করেছিলেন, “ভারত এই মুহূর্তে এবং ভবিষ্যতেও পূর্ণ প্রত্যয়ের সঙ্গে ইজরায়েলের পাশে দাঁড়িয়েছে।” তাঁর এই মন্তব্যের পর প্রথম ভারতীয় নেতা হিসেবে নেসেটে তিনি ‘স্ট্যান্ডিং ওভেশন’ বা দাঁড়িয়ে সম্মান পান।
প্রধানমন্ত্রী মোদীকে উদ্দেশ্য করে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, “নরেন্দ্র, তুমি ইসরায়েলের এক মহান বন্ধু। বন্ধুর চেয়েও বেশি কিছু, তুমি আমার ভাইয়ের মতো।”
এই সফরের ঠিক পরেই মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় কূটনৈতিক ও কৌশলগত দিক থেকে দিল্লির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। রবিবারের সিসিএস বৈঠকেই পরবর্তী পদক্ষেপ ও কৌশল নির্ধারণ করা হতে পারে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
