
ঝাপা কেন্দ্রে প্রাথমিক ট্রেন্ডে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী K. P. Sharma Oli-কে পিছনে ফেলে এগিয়ে কাঠমান্ডুর প্রাক্তন মেয়র Balendra Shah। নেপালের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের জল্পনা।
নেপালের নির্বাচনের গণনা শুরু হতেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা। প্রাথমিক ট্রেন্ডে ঝাপা কেন্দ্র থেকে এগিয়ে গিয়েছেন কাঠমান্ডুর প্রাক্তন মেয়র Balendra Shah। তিনি পিছনে ফেলেছেন নেপালের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী K. P. Sharma Oli-কে।
নেপালের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতার পর এই নির্বাচনকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। ভোট গণনার প্রথম দিকের ফলাফলেই দেখা যাচ্ছে, ৭৪ বছরের অভিজ্ঞ রাজনীতিক অলিকে টক্কর দিচ্ছেন যুব নেতা বলেন্দ্র। ট্রেন্ড একই থাকলে বড় অঘটন ঘটতে পারে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।
বলেন্দ্র শাহ প্রথমে পরিচিতি পান একজন র্যাপার হিসেবে। পরে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। তিনি সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক এবং স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। বর্তমানে Kathmandu University-এ পিএইচডি করছেন।
২০২২ সালে তিনি Kathmandu শহরের মেয়র নির্বাচিত হন। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে তাঁর জনপ্রিয়তা দ্রুত বাড়ে। বিশেষ করে জেন-জ়ি বিক্ষোভের সময় তিনি প্রকাশ্যে আন্দোলনকারীদের সমর্থন করেন।
ওলি সরকারের পতনের পর আন্দোলনকারীদের একাংশ তাঁকেই অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী করার দাবি তুলেছিল। যদিও পরে অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি Sushila Karki-কে অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী করা হয়।
ঝাপা কেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরেই অলির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। সেই কেন্দ্রেই এবার এগিয়ে আছেন বলেন্দ্র শাহ। ফলে নেপালের রাজনীতিতে নতুন নেতৃত্বের উত্থান নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে।
তবে বলেন্দ্রকে ঘিরে বিতর্কও কম নয়। তাঁকে প্রায়ই ‘ভারত-বিরোধী’ মন্তব্য করতে দেখা গেছে। একাধিকবার তিনি ভারতের কিছু অঞ্চলকে ‘গ্রেটার নেপাল’-এর অংশ বলে দাবি করেছেন।
এই পরিস্থিতিতে ভারতের তরফে জানানো হয়েছে, নেপালে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে যে সরকারই ক্ষমতায় আসুক, তার সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত ভারত।
