
রাজ্যে ভোটের আবহে নতুন করে জটিলতায় শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া। West Bengal School Service Commission (এসএসসি) আশঙ্কা করছে, নির্বাচনের কারণে সুপ্রিম কোর্টের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা রক্ষা করা সম্ভব নাও হতে পারে। সেই কারণেই তড়িঘড়ি Calcutta High Court-এর দ্বারস্থ হয়েছে কমিশন।
এসএসসি সূত্রে জানা গিয়েছে, তাদের মোট কর্মীর সংখ্যা খুবই সীমিত মাত্র ৩৫ জন। এর মধ্যে ২৪ জনকেই ভোটের কাজে নিয়ে নিয়েছে Election Commission of India। শুধু কর্মী নয়, বহু স্কুল শিক্ষকও এখন নির্বাচনী ডিউটিতে ব্যস্ত। ফলে নিয়োগ প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ধাপ বিশেষ করে ইন্টারভিউ ব্যাহত হচ্ছে।
এই পরিস্থিতিতে কমিশন আদালতে জানিয়েছে, যদি এই কর্মীদের দ্রুত ফিরিয়ে না দেওয়া হয়, তাহলে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা অসম্ভব হয়ে উঠবে। ইতিমধ্যেই এই মামলায় বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের এজলাসে বিষয়টি উত্থাপন করা হয়েছে এবং আগামী সোমবার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে গোটা প্রক্রিয়া বাতিল করে দিয়েছিল আদালত। পরে Supreme Court of India নির্দেশ দেয়, অযোগ্যদের বাদ দিয়ে নতুন করে নিয়োগ করতে হবে। সেই নির্দেশ অনুযায়ী ইতিমধ্যেই লিখিত পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে এবং বর্তমানে মেধা তালিকার ভিত্তিতে ইন্টারভিউ চলছে।
প্রথমে এই প্রক্রিয়া শেষ করার ডেডলাইন ছিল ৩১ মার্চ। পরে তা বাড়িয়ে ৩১ অগাস্ট করা হয়। কিন্তু এখন নির্বাচন এসে পড়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। এসএসসি-র দাবি, স্বশাসিত সংস্থার কর্মীদের এভাবে ভোটের কাজে টানা ঠিক নয়, এতে প্রশাসনিক কাজ ব্যাহত হচ্ছে।
এদিকে এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার দিকে নজর রয়েছে হাজার হাজার চাকরিপ্রার্থীর। আদালতের পরবর্তী সিদ্ধান্তের উপরই নির্ভর করছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিয়োগ সম্পন্ন হবে কি না। ফলে আগামী শুনানি ঘিরে বাড়ছে উদ্বেগ ও প্রত্যাশা।
