
নির্বাচনের আগে ধুপগুড়ির রাজনৈতিক মঞ্চে চড়ল উত্তাপ। বিজেপিকে সরাসরি “কেউটে” বলে আক্রমণ শানালেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক Abhishek Banerjee। বৃহস্পতিবার দুপুরে ধুপগুড়ির ফনী ময়দানে জনসভা থেকে একাধিক ইস্যুতে বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ দাগেন তিনি।
ঘাসফুল প্রার্থী নির্মল চন্দ্র রায়ের সমর্থনে আয়োজিত এই জনসভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব এবং আশেপাশের বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থীরাও। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে বক্তব্য রাখেন অভিষেক। আর্থিক বঞ্চনা, কেন্দ্রীয় প্রকল্পে অর্থ আটকে রাখা সহ নানা ইস্যুতে বিজেপিকে নিশানা করেন তিনি। নাম না করেই কটাক্ষ করেন প্রধানমন্ত্রী Narendra Modi-র দিকেও।
এদিন জলপাইগুড়ির বিজেপি সাংসদ Jayanta Roy-কে উদ্দেশ্য করে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন তৃণমূল সেনাপতি। তিনি বলেন, “উন্নয়নের প্রমাণ দিতে পারলে আমি রাজনীতি ছেড়ে দেব।” এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।
ভোটের অঙ্ক কষতে এদিন অভিষেকের নজর ছিল ধুপগুড়ির মহিলা ভোটব্যাঙ্কেও। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে লক্ষীর ভাণ্ডার প্রকল্পের প্রসঙ্গ। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “যতদিন তৃণমূল থাকবে, Mamata Banerjee থাকবেন, ততদিন মা-বোনেরা লক্ষীর ভাণ্ডার পাবেন। বিজেপি এলে সেই সুবিধা বন্ধ হয়ে যাবে।” এই বার্তা দিয়েই ভোটারদের কাছে সরাসরি আবেদন জানান তিনি।
সভা মঞ্চে উপস্থিত তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই জনসভা ধুপগুড়িতে দলের সংগঠনকে আরও চাঙ্গা করে তুলেছে। প্রচারে নতুন গতি এসেছে বলেও মত তাঁদের। প্রার্থী নির্মল চন্দ্র রায়ও আত্মবিশ্বাসী সুরে জানিয়েছেন, “এবার আরও বড় ব্যবধানে জয় আসবে।”
ধুপগুড়ির এই জনসভা শুধু রাজনৈতিক আক্রমণেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং ভোটের আগে কৌশলগত বার্তা দিয়েও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এখন দেখার, এই আক্রমণাত্মক প্রচার ভোটের ফলাফলে কতটা প্রভাব ফেলে।
