
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই ফের বিস্ফোরক দাবি করলেন Donald Trump। তাঁর কথায়, ইরানের অনুরোধেই নাকি ১০ দিনের জন্য তাদের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলিতে হামলা বন্ধ রাখা হয়েছে। কিন্তু এই দাবি প্রকাশ্যে আসতেই সরব হয়েছে Iran তেহরানের সাফ জবাব, “এ সবই মিথ্যা!”
প্রায় এক মাস ধরে চলা সংঘাতে পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হচ্ছে। একদিকে Israel-এর হামলা, অন্যদিকে ইরানের পাল্টা আঘাত মধ্যপ্রাচ্য এখন কার্যত যুদ্ধক্ষেত্র। তেল আভিভে ইরানের মিসাইল হামলার পাল্টা হিসেবে ইজরায়েল ইরানের উর্মিয়া অঞ্চলে আঘাত হেনেছে বলে খবর, যেখানে সাধারণ মানুষের প্রাণহানির আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।
এই উত্তেজনার মাঝেই ট্রাম্পের দাবি ইরানের সঙ্গে আলোচনা ভালো পথে এগোচ্ছে এবং সেই কারণেই তিনি ৫ দিনের জন্য হামলা বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। এমনকি তিনি আরও বলেন, ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলিতে আঘাত না করার এই সিদ্ধান্ত তাদের অনুরোধেই নেওয়া হয়েছে। তবে এই বক্তব্য পুরোপুরি খারিজ করেছে ইরান। তাদের দাবি, কোনওরকম অনুরোধ করা হয়নি, বরং আমেরিকা পরিস্থিতি নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।
এই সংঘাতের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বিশ্ব অর্থনীতিতেও। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী ঘিরে উত্তেজনার জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম অস্থির হয়ে উঠেছে। তবে ট্রাম্পের হামলা স্থগিতের ঘোষণার পর কিছুটা কমেছে অপরিশোধিত তেলের দাম আর তাতেই চাঙ্গা হয়েছে ভারতের শেয়ার বাজার।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধের পরিস্থিতিতে সামান্য ইতিবাচক ইঙ্গিত পেলেই বাজার দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখায়। ট্রাম্পের এই ঘোষণাকে আপাতত স্বস্তির বার্তা হিসেবেই দেখেছে বিনিয়োগকারীরা।
অন্যদিকে, কূটনৈতিক স্তরেও জল্পনা তুঙ্গে। সূত্রের খবর, Pakistan-এর সেনাপ্রধান আসিম মুনির এই সংঘাতে মধ্যস্থতার চেষ্টা করতে পারেন। ইসলামাবাদে বৈঠকের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
যুদ্ধের আগুন যেমন বাড়ছে, তেমনই কূটনৈতিক দাবা খেলাও চলছে সমান্তরালে। ট্রাম্পের দাবি আর ইরানের পাল্টা প্রতিক্রিয়া এই দ্বন্দ্বের মধ্যেই এখন নজর বিশ্ববাসীর। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।
