
বলিউড অভিনেতা Ranveer Singh-এর হঠাৎ নাগপুর সফর এবং Mohan Bhagwat-এর সঙ্গে তাঁর বৈঠককে ঘিরে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক জল্পনা। শুক্রবার বিকেলে চার্টার্ড বিমানে নাগপুরে পৌঁছে তিনি প্রথমে রেশিমবাগ এলাকায় আরএসএস প্রতিষ্ঠাতা কেশব বলিরাম হেডগেওয়ারের স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানান। এরপর দীর্ঘ সময় তিনি ওই চত্বরে অবস্থান করেন এবং পরে আরএসএস সদর দপ্তরে প্রবেশ করেন।
সেখানে আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতসহ সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠক হয় বলে সূত্রের খবর। প্রায় কয়েক ঘণ্টা ধরে চলা এই বৈঠকের পর রাতের দিকে তিনি মুম্বইয়ের উদ্দেশে ফিরে যান। তবে কী নিয়ে আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে আরএসএস বা অভিনেতার পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি।
এই আকস্মিক সফরকে কেন্দ্র করে বিনোদন ও রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিশেষ করে রণবীরের সাম্প্রতিক ছবি ‘ধুরন্ধর ২’ এবং তার দেশপ্রেমমূলক চরিত্রকে ঘিরে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তার সঙ্গে এই সফরের কোনো যোগসূত্র আছে কি না, তা নিয়েও আলোচনা চলছে।
একাংশের মতে, এটি সম্পূর্ণই ব্যক্তিগত বা সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ হতে পারে। অন্যদিকে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ মনে করছেন, বিনোদন জগতের তারকাদের সঙ্গে রাজনৈতিক বা আদর্শিক সংগঠনের যোগাযোগ নতুন কিছু নয়, তবে এই ধরনের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক স্বাভাবিকের বাইরে ইঙ্গিত বহন করতে পারে।
ভারতে চলচ্চিত্র তারকাদের রাজনীতিতে প্রবেশের ইতিহাস দীর্ঘ। অতীতে বহু অভিনেতা-অভিনেত্রী সক্রিয়ভাবে রাজনৈতিক দলে যোগ দিয়েছেন এবং নির্বাচনী রাজনীতিতেও অংশ নিয়েছেন। সেই প্রেক্ষিতে রণবীরের এই সফর কি ভবিষ্যতের কোনো নতুন অধ্যায়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে কি না, সেই প্রশ্নও উঠছে।
তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই এই বৈঠককে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত বা যোগদানের সম্ভাবনার সঙ্গে যুক্ত করেনি। ফলে বিষয়টি আপাতত ধোঁয়াশার মধ্যেই রয়েছে।
এই ধরনের সাক্ষাৎ জনমানসে কৌতূহল তৈরি করলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে আরও তথ্য প্রয়োজন। আপাতত সকলের নজর রয়েছে রণবীর সিং বা আরএসএসের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া আসে কি না, তার দিকে।
