পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে এক ভয়াবহ কলঙ্ক! ২০১৬ সালের এসএসসি দুর্নীতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়ে ২৬ হাজার শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীর চাকরি বাতিল। শিক্ষাক্ষেত্রে এক ভয়াবহ চুরি ধরা পড়ল। অথচ এই বিপর্যয়ে বিরোধীরা গা পর্যন্ত করল না!
ভাবুন তো, সিপিএম সরকারের আমলে এমন কিছু ঘটলে কী হতো? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তিনদিনের মধ্যে রাস্তায় নেমে ধর্নায় বসতেন, নবান্ন কাঁপিয়ে দিতেন। কিন্তু আজ? আজ তিনি মুখে কুলুপ এঁটেছেন। আর বিরোধীরা? তারা কি ঘুমোচ্ছে? নাকি রামনবমীর ঢাকের আওয়াজে সাধারণ মানুষের কান্না তাদের কানে পৌঁছায় না?
যে বিরোধীরা পান থেকে চুন খসলেই বিদ্রোহের ঝড় তোলে, তারা আজ চুপ কেন? তবে কি আসল সত্যি এটাই— বিরোধীরা শাসক দলের সাথেই আছেন? ভোটের আগে নাটক করে সাধারণ মানুষকে বোকা বানানোই কি তাদের একমাত্র লক্ষ্য?
একটা রাজ্যে যখন ২৬ হাজার চাকরি বাতিল হয়, তখন সেই রাজ্যের মেরুদণ্ড কেঁপে ওঠার কথা। কিন্তু এখানে সব শান্ত! রাজনৈতিক দলগুলো যেন এক অদ্ভুত বোবা শিকার। এটা কি শুধুই নীরবতা? নাকি টাকার খেলায় সবাই বিক্রি হয়ে গেছে?
এ রাজ্যে ন্যায়বিচার নেই, জবাবদিহি নেই, আন্দোলন নেই। আছে শুধু ভণ্ডামি আর ভোটের রাজনীতি! বিরোধীরা নিজেদের স্বার্থের জন্য গলা ফাটায়, কিন্তু যখন সাধারণ মানুষের জীবন ধ্বংস হয়, তখন তারা চুপ করে থাকে। এই চুপ করে থাকার মানে কী?
রাজ্যের মানুষ আজ জিজ্ঞেস করছে— বিরোধীরা কি আসলেই বিরোধী? নাকি সবাই একসাথে মিলেমিশে আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করছে?
