বিল নয়, এবার আইনে উন্নত হয়েছে ওয়াকফ। এই নিয়ে সমগ্র দেশ জুড়ে চলছে তোলপাড়। এরই মাঝে উঠে এলো চাঞ্চল্যকর এক খবর। ওয়াকফ সংশোধনী আইনকে সমর্থন করার চরমতম শাস্তি পেলেন বিজেপি সংখ্যালঘু নেতা। রীতিমতো আগুন লাগিয়ে দেওয়া হল বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার সভাপতির বাড়িতে। রবিবার এমনই ঘটনা ঘটেছে মণিপুরের।
জানা গিয়েছে যে,রাজ্য বিজেপি সংখ্যালঘু মোর্চার সভাপতি আশকার আলি মাকাকমায়ুমের বাড়িতে এদিন তুমুল ভাঙচুর চালানোর পর আগুন লাগিয়ে দেয় কিছু বিক্ষুব্ধ জনতা। আর তারা সকলেই মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ বলেই মনে করা হচ্ছে। ওই বিজেপি নেতার বাড়ি মণিপুরের থৌবাল জেলায়। প্রত্যক্ষদ
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিক্ষুব্ধ জনতা রবিবার বিকেলে ওই বিজেপি নেতার বাড়িতে চড়াও হয়। তারা ওই বিজেপি সংখ্যালঘু নেতার বাড়িতে ভাঙচুর শুরু করে। জানালার কাঁচ ভেঙে দেয়। আর তারপরেই তারা বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেয়া হয় পুলিশ ও দমকলে। কিন্তু তাতেও পুলিশ এবং দমকল কর্মীদের ঘটনাস্থলে পৌঁছতেও বাধা দেওয়া হয় বিক্ষুব্ধ জনতার পক্ষ থেকে। এরপর পথ আটকে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা।
সূত্রের খবর, ওয়াকফ সংশোধনী বিলে সমর্থন করেছিলেন আশকার আলি। শুধু তাই নয়, যারা এই বিলের বিরোধিতা করছিলেন, কটাক্ষ করেন তাদের নিয়ে। উল্টোপাল্টা মন্তব্যও করেছিলেন তিনি। আর তার বদলা নেওয়ার জন্যই ক্ষুব্ধ জনতা ওই বিজেপি নেতার বাড়িতে আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দেয় বলে খবর।
হামলার পরই ক্ষমা চেয়েছেন আশকার আলি। এমনকি কেন্দ্রের কাছে এই আইন প্রত্যাহারের আর্জি জানান তিনি। ফেসবুক পোস্টে ওই নেতা ওয়াকফ সংশোধনী আইন নিয়ে রাজনীতি না করার আর্জি জানিয়েছেন। নিজের পোষ্টে তিনি ট্যাগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী থেকে শুরু করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, সংখ্যালঘু উন্নয়ন মন্ত্রী কিরণ রিজিজুকেও। এই বিষয়ে পুলিশ মামলার অজু করলেও এখনো পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকেই গ্রেফতার করা যায়নি।
