কলমে অভিজিৎ বসু
মানুষের জন্য কাজ করুন মানুষের পাশে দাঁড়ান। একজন বা দুজন বা একশো জন এর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে আর তার কারণে সবাইকে বাতিল করে দেওয়া হচ্ছে। আবাস নিয়ে হোক, স্বাস্থ্য নিয়ে হোক, শিক্ষা নিয়ে হোক গোটা বিষয়কে বাদ দিয়ে দেওয়া হচ্ছে একটা রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র করে। যেখানে বিজেপির হাত অনেকটাই আছে। এই প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন এই বিষয়টি একটু নজর দেওয়া দরকার। বাংলাকে ভাতে মারার চক্রান্ত চলছে জোর করে। বাংলাকে এই ভাবে মারা যাবে না কিছুতেই। কারণ যে ৩৪ বছরের বাম সরকার চলেছিল তাদের কাজ দেখুন আর এই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ১৪ বছরের সরকারের কাজ দেখুন। কাজের নিরিখে আপনারা সবাই বিচার করুন অন্য ভাবে নয়। আমাকে তো ইডি, সিবিআই দিয়ে কত কিছুই করা হলো কিন্তু কাঁচকলা কিছুই করতে পারে নি বিজেপি। সোদপুরের জগন্নাথ গুপ্ত ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস অ্যান্ড হসপিটালের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এই কথাই বলেন অভিষেক বন্দোপাধ্যায়। সেখানে তাঁর হাতে স্মারক তুলে হয়। তিনি বলেন অনেকে আমার ডায়মন্ডহারবার মডেলের সমালোচনা করেছিলেন, হাসাহাসি করেছিলেন আজ সেই মডেল জনপ্রিয় হয়েছে কাজের মধ্য দিয়ে আর সাধারণ মানুষের কাছে সেবা দিয়ে। তাই একটাই অনুরোধ করবো স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে এত দামী করে দেবেন না যাতে সাধারণ মানুষের ঘটি বাটি বিক্রি হয়ে যায়। এদিকে একটু নজর রাখবেন আপনারা। আর যে বিজেপি ভাগাভাগি করে বিদ্বেষ ছড়িয়ে রাজনীতি করতে চাইছে তাদেরকে ঘৃণা ভরে প্রত্যাখ্যান করুন। ওদের রাজনীতি মানুষের জন্য নয়। জনপ্রতিনিধিরা মনে রাখবেন আপনারা সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে যে কোনোও অসুবিধা হলে তাদের। এটা আপনার একমাত্র কর্তব্য। সেই কথা মাথায় নিয়েই চলতে হবে। কাজের মধ্য দিয়ে বুঝিয়ে দিতে হবে রাজনৈতিক ভাবে লড়াই করো কিন্তু রাজ্যে বিষ ছড়িয়ে নয়। ভাগাভাগির আর হানাহানির রাজনীতি করে নয়। এটা মাথায় রেখেই আগামী দিনে চলতে হবে আমাদের। এদিন তিনি সরকার এর কাজের প্রশংসা করে বলেন সরকার এত বিরোধিতা সত্ত্বেও কাজ করে চলেছে মানুষের জন্য। এটাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একমাত্র চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে এগিয়ে চলেছেন তিনি। তাঁর এই কাজের সাথে আমাদের জড়িত হয়ে চলতে হবে। যাতে সাধারণ মানুষ সেই সুফল পায়।
