নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে শান্তি- সম্প্রীতির আহবান মমতার
সুদীপ্ত চট্টোপাধ্যায়
প্রতি বছরের মত এবছরেও
নববর্ষের প্রাক্কালে কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একইসঙ্গে নকুলেশ্বর ভৈরব মন্দির পরিদর্শন করেন তিনি।
কালীঘাটে পুজো দেওয়ার পর মমতা বলেন ” সবার কল্যাণ কামনা করে পুজো দিলাম। কালী মায়ের স্নেহাশিসে নতুন বছরের প্রতিটি দিন সুন্দর হয়ে উঠুক। সকলের জীবন হোক সুখে পরিপূর্ণ ও শান্তিময়।
কালীঘাট মন্দির একটি পরম পবিত্র সতীপীঠ—একান্ন শক্তিপীঠের মধ্যে অন্যতম। অসংখ্য ভক্তের ন্যায় আমার কাছেও এই মন্দির ও মা কালীর দর্শন, তাঁর আশীর্বাদ মনের শান্তি বিকশিত করে।”
প্রতিবছরই নিয়ম করে চৈত্র সংক্রান্তির রাতে নববর্ষের প্রাক্কালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কালীঘাট মন্দিরে গিয়ে মা কালীকার দর্শন করেন এবং পুজো দেন। তুমি কি বছরের আকর্ষণটা আলাদা। আজ সন্ধ্যায় কালীঘাট মন্দিরের জন্য স্কাইওয়াক উদ্বোধন করেন তিনি। একই সঙ্গে নব বলে ভরে কালীঘাট মন্দিরের সংস্কার করা হয়েছে রাজ্য সরকারের উদ্যোগে। আগামীকাল নববর্ষের দিন আলোক মালায় সেজে উঠবে কালীঘাট মন্দির। এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য ” দক্ষিণেশ্বরের মতই কালীঘাটে একটি আধুনিক এবং সুসজ্জিত স্কাইওয়াকের উদ্বোধন করলাম, যা শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী রোড, মেট্রো স্টেশন এবং কালীঘাট মন্দির সংলগ্ন এলাকাকে অঙ্গাঙ্গিভাবে সংযুক্ত করেছে। প্রায় ৪৩৫ মিটার দীর্ঘ এই স্কাইওয়াক লিফ্ট, সিঁড়ি-সহ চলমান সিঁড়ির ব্যবস্থা করা হয়েছে তীর্থযাত্রীদের জন্য এবং বিশেষ করে প্রবীণ দর্শনার্থীদের জন্য। তাঁদের যাতায়াতকে আরও সহজ, নিরাপদ এবং মর্যাদাপূর্ণ করে তুলতে।” মমতা আরও বলেন “শ্রদ্ধা, মানবিকতা, স্বস্তি, সংস্কৃতি, একতা হল প্রকৃত ধর্ম। মানুষকে ভালোবাসার থেকে বড় ধর্ম নেই, আমরা সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ।
পয়লা বৈশাখের অগ্রিম-মুহূর্তে, আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জানাই শুভ নববর্ষের শুভনন্দন। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।”
